লেবাননে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এর বিমান হামলায় বিশ্বের বৃহত্তম সশস্ত্র মুসলিম রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিজবুল্লার গোয়েন্দা শাখার প্রধান হুসেইন মাকলেদ নিহত হয়েছেন। ২ মার্চ সোমবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে আইডিএফ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর গোয়েন্দা শাখার প্রধান হুসেইন মাকলেদ ইসরায়েলি বাহিনীর (আইডিএফ) বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার (২ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এই দাবি করেছে।
আইডিএফের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত রবিবার রাতভর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বিশেষ অভিযান চালায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। সেই সুনির্দিষ্ট ও 'নিখুঁত' লক্ষ্যভেদী হামলায় মাকলেদ প্রাণ হারান।
ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, মাকলেদ হিজবুল্লাহর অন্যতম জ্যেষ্ঠ এবং প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। তিনি দলটির পুরো গোয়েন্দা বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করতেন। আইডিএফ জানায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ওপর গোপন নজরদারি চালানোর মূল দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ইসরায়েলে যেকোনো ধরনের হামলার প্রাথমিক পরিকল্পনা ও নকশা তৈরিতে তিনি সরাসরি যুক্ত থাকতেন।
হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এই নেতার নিহতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এই হত্যাকাণ্ডের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
লেবাননে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এর বিমান হামলায় বিশ্বের বৃহত্তম সশস্ত্র মুসলিম রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিজবুল্লার গোয়েন্দা শাখার প্রধান হুসেইন মাকলেদ নিহত হয়েছেন। ২ মার্চ সোমবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে আইডিএফ।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর গোয়েন্দা শাখার প্রধান হুসেইন মাকলেদ ইসরায়েলি বাহিনীর (আইডিএফ) বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার (২ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এই দাবি করেছে।
আইডিএফের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত রবিবার রাতভর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বিশেষ অভিযান চালায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। সেই সুনির্দিষ্ট ও 'নিখুঁত' লক্ষ্যভেদী হামলায় মাকলেদ প্রাণ হারান।
ইসরায়েলের দাবি অনুযায়ী, মাকলেদ হিজবুল্লাহর অন্যতম জ্যেষ্ঠ এবং প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। তিনি দলটির পুরো গোয়েন্দা বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করতেন। আইডিএফ জানায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ওপর গোপন নজরদারি চালানোর মূল দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ইসরায়েলে যেকোনো ধরনের হামলার প্রাথমিক পরিকল্পনা ও নকশা তৈরিতে তিনি সরাসরি যুক্ত থাকতেন।
হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এই নেতার নিহতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এই হত্যাকাণ্ডের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন