ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর গত সপ্তাহজুড়ে দেশের শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন হয়েছে। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে..
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রভাবে গত সপ্তাহজুড়ে দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে।
এতে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি কমে গেছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধনে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে: বর্তমান বাজার মূলধন: ৬,৯৭,৯৫১ কোটি টাকা (গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস)। আগের সপ্তাহের মূলধন: ৭,১৮,৩৬৪ কোটি টাকা।হ্রাসের পরিমাণ: ২০,৪১৩ কোটি টাকা (২.৮৪%)।
বাজারের প্রধান তিনটি মূল্যসূচকই গত সপ্তাহে বড় পতনের শিকার হয়েছে: ডিএসইএক্স (DSEX): প্রধান এই সূচকটি ৩৫৯.৪৩ পয়েন্ট বা ৬.৪২% কমেছে ডিএসই-৩০ (DS30): ভালো মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানিগুলোর এই সূচক কমেছে ১৫৭.৯৫ পয়েন্ট (৭.২৮%) ডিএসই শরিয়াহ (DSES): ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিক কোম্পানিগুলোর সূচক কমেছে ৬৭.৪৭ পয়েন্ট (৬.০৪%)।
গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে দর বাড়ার তুলনায় দর কমার হার ছিল উদ্বেগজনক। ৩৯২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে: দর বেড়েছে: ৫৯টির দর কমেছে: ৩২৫টির (দর বাড়ার তুলনায় ৫.৫১ গুণ বেশি) অপরিবর্তিত: ৮টির
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেনের গতিও ছিল নিম্নমুখী। সাপ্তাহিক গড় লেনদেন: ৬৯৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহের গড় লেনদেন: ৭২৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। কমেছে: ২৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা (৩.৯১%)।
সপ্তাহজুড়ে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ার। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে ৪১ কোটি ৬৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ৫.৯৮ শতাংশ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর গত সপ্তাহজুড়ে দেশের শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন হয়েছে। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে..
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রভাবে গত সপ্তাহজুড়ে দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের ধস নেমেছে। মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে।
এতে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন ২০ হাজার কোটি টাকার বেশি কমে গেছে।
সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধনে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে: বর্তমান বাজার মূলধন: ৬,৯৭,৯৫১ কোটি টাকা (গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস)। আগের সপ্তাহের মূলধন: ৭,১৮,৩৬৪ কোটি টাকা।হ্রাসের পরিমাণ: ২০,৪১৩ কোটি টাকা (২.৮৪%)।
বাজারের প্রধান তিনটি মূল্যসূচকই গত সপ্তাহে বড় পতনের শিকার হয়েছে: ডিএসইএক্স (DSEX): প্রধান এই সূচকটি ৩৫৯.৪৩ পয়েন্ট বা ৬.৪২% কমেছে ডিএসই-৩০ (DS30): ভালো মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানিগুলোর এই সূচক কমেছে ১৫৭.৯৫ পয়েন্ট (৭.২৮%) ডিএসই শরিয়াহ (DSES): ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিক কোম্পানিগুলোর সূচক কমেছে ৬৭.৪৭ পয়েন্ট (৬.০৪%)।
গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে দর বাড়ার তুলনায় দর কমার হার ছিল উদ্বেগজনক। ৩৯২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে: দর বেড়েছে: ৫৯টির দর কমেছে: ৩২৫টির (দর বাড়ার তুলনায় ৫.৫১ গুণ বেশি) অপরিবর্তিত: ৮টির
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেনের গতিও ছিল নিম্নমুখী। সাপ্তাহিক গড় লেনদেন: ৬৯৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহের গড় লেনদেন: ৭২৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। কমেছে: ২৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা (৩.৯১%)।
সপ্তাহজুড়ে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ার। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে ৪১ কোটি ৬৬ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের ৫.৯৮ শতাংশ।

আপনার মতামত লিখুন