আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে বড় ধরনের সাফল্যের দাবি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত ১০ দিনে ইরানের ৫ হাজারেরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে বলে আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)।
সেন্টকোমের তথ্যমতে, ধ্বংস হওয়া লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ৫০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ ও নৌযান রয়েছে। এছাড়াও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, ড্রোন তৈরির কারখানা এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কমান্ড সেন্টারগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
গত ৬ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তেহরান-ওয়াশিংটন সংলাপ কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়।
সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েল শুরু করে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’।
যুদ্ধের শুরুর দিকেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ অন্তত ৪০ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান অভিযানে ইরানের জ্বালানি কাঠামো ও তেল ডিপোগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানও সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬টি দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়াবহ যুদ্ধকালীন অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে বড় ধরনের সাফল্যের দাবি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত ১০ দিনে ইরানের ৫ হাজারেরও বেশি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে বলে আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)।
সেন্টকোমের তথ্যমতে, ধ্বংস হওয়া লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ৫০টিরও বেশি যুদ্ধজাহাজ ও নৌযান রয়েছে। এছাড়াও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, ড্রোন তৈরির কারখানা এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কমান্ড সেন্টারগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
গত ৬ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তেহরান-ওয়াশিংটন সংলাপ কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়।
সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েল শুরু করে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’।
যুদ্ধের শুরুর দিকেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ অন্তত ৪০ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান অভিযানে ইরানের জ্বালানি কাঠামো ও তেল ডিপোগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পাল্টা জবাব হিসেবে ইরানও সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের ৬টি দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়াবহ যুদ্ধকালীন অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন