আন্তর্জাতিক ডেস্ক,
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। ইরানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ বিমান হামলার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অন্যতম প্রধান জ্বালানি ও তেল বাণিজ্য কেন্দ্র ফুজাইরাহ বন্দরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এবং স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, হামলার পর ফুজাইরাহ বন্দর এলাকার আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে। ফুজাইরাহ আমিরাতের একটি কৌশলগত বন্দর এবং বিশাল তেল মজুদ ও রপ্তানি টার্মিনাল। হামলার আগে আইআরজিসি ওই এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল।
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনগুলো সফলভাবে প্রতিহত করেছে। তবে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে একটি স্থানে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। বিবৃতিতে সুনির্দিষ্ট স্থানের নাম উল্লেখ না করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হয়।
প্রেক্ষাপট: মার্কিন হামলা ও ট্রাম্পের হুমকি আমিরাতে এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের খারগ দ্বীপে বোমা হামলা চালিয়েছে। উল্লেখ্য, ইরানের প্রায় সব অপরিশোধিত তেল এই দ্বীপের মাধ্যমেই বিশ্ববাজারে রপ্তানি হয়। ট্রাম্প এই দ্বীপের তেল অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করারও হুমকি দিয়েছেন, যা বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধ চলতি মাসের শুরুতেও ফুজাইরাহতে একই ধরনের ড্রোন হামলা হয়েছিল। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান কুয়েত থেকে ওমান পর্যন্ত উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। এর মধ্যে সৌদি আরবের বিশাল রাস তনুরা শোধনাগার, কাতারের রাস লাফান গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের রুওয়াইস শোধনাগারও ইরানি হামলার শিকার হয়েছে।
পাশাপাশি, ইরান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এবং তরলিকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) এই নৌপথ দিয়েই পরিবাহিত হতো। এই অচলাবস্থার ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: এএফপি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
আন্তর্জাতিক ডেস্ক,
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। ইরানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খারগ দ্বীপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ বিমান হামলার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অন্যতম প্রধান জ্বালানি ও তেল বাণিজ্য কেন্দ্র ফুজাইরাহ বন্দরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এবং স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, হামলার পর ফুজাইরাহ বন্দর এলাকার আকাশে ঘন কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে। ফুজাইরাহ আমিরাতের একটি কৌশলগত বন্দর এবং বিশাল তেল মজুদ ও রপ্তানি টার্মিনাল। হামলার আগে আইআরজিসি ওই এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল।
এদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনগুলো সফলভাবে প্রতিহত করেছে। তবে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে একটি স্থানে অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। বিবৃতিতে সুনির্দিষ্ট স্থানের নাম উল্লেখ না করলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হয়।
প্রেক্ষাপট: মার্কিন হামলা ও ট্রাম্পের হুমকি আমিরাতে এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানের খারগ দ্বীপে বোমা হামলা চালিয়েছে। উল্লেখ্য, ইরানের প্রায় সব অপরিশোধিত তেল এই দ্বীপের মাধ্যমেই বিশ্ববাজারে রপ্তানি হয়। ট্রাম্প এই দ্বীপের তেল অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করারও হুমকি দিয়েছেন, যা বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধ চলতি মাসের শুরুতেও ফুজাইরাহতে একই ধরনের ড্রোন হামলা হয়েছিল। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান কুয়েত থেকে ওমান পর্যন্ত উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। এর মধ্যে সৌদি আরবের বিশাল রাস তনুরা শোধনাগার, কাতারের রাস লাফান গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের রুওয়াইস শোধনাগারও ইরানি হামলার শিকার হয়েছে।
পাশাপাশি, ইরান কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল এবং তরলিকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) এই নৌপথ দিয়েই পরিবাহিত হতো। এই অচলাবস্থার ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সূত্র: এএফপি।

আপনার মতামত লিখুন