মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশ—সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে কয়েক দফায় হামলা চালিয়েছে ইরান।
শনিবার (১৪ মার্চ) ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী এই অভিযান পরিচালনা করে বলে দেশটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
আইআরজিসির নৌ-প্রধান অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরি জানিয়েছেন, আবুধাবির আল-ধাফরা, কুয়েতের আল-আদিরি এবং বাহরাইনের শেখ ঈসা ঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট রাডার ব্যবস্থা, যুদ্ধবিমান এবং জ্বালানি মজুত রাখার ট্যাঙ্কগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
এদিকে, ইরানের খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আমিরাতের ভেতরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব গোপন আস্তানা এখন ইরানের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’। আইআরজিসি স্পষ্ট করেছে যে, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা আমিরাতের বিভিন্ন শহরে অবস্থিত মার্কিন শত্রুঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং বন্দরগুলোতে আঘাত হানতে দ্বিধা করবে না।
একই সঙ্গে আমিরাতের সাধারণ বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন সামরিক স্থাপনা, বন্দর ও ডক এলাকা থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তেহরান। গত কয়েকদিন ধরে ওই অঞ্চলে চলমান উত্তজনা এই হামলার মধ্য দিয়ে নতুন মোড় নিল।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের তিন দেশ—সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে কয়েক দফায় হামলা চালিয়েছে ইরান।
শনিবার (১৪ মার্চ) ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী এই অভিযান পরিচালনা করে বলে দেশটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
আইআরজিসির নৌ-প্রধান অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরি জানিয়েছেন, আবুধাবির আল-ধাফরা, কুয়েতের আল-আদিরি এবং বাহরাইনের শেখ ঈসা ঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট রাডার ব্যবস্থা, যুদ্ধবিমান এবং জ্বালানি মজুত রাখার ট্যাঙ্কগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
এদিকে, ইরানের খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলার প্রতিক্রিয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইআরজিসি। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আমিরাতের ভেতরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব গোপন আস্তানা এখন ইরানের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’। আইআরজিসি স্পষ্ট করেছে যে, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা আমিরাতের বিভিন্ন শহরে অবস্থিত মার্কিন শত্রুঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং বন্দরগুলোতে আঘাত হানতে দ্বিধা করবে না।
একই সঙ্গে আমিরাতের সাধারণ বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন সামরিক স্থাপনা, বন্দর ও ডক এলাকা থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তেহরান। গত কয়েকদিন ধরে ওই অঞ্চলে চলমান উত্তজনা এই হামলার মধ্য দিয়ে নতুন মোড় নিল।

আপনার মতামত লিখুন