মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের পাঠানো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি।
প্রস্তাবটি নাকচ করে দিয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শান্তি আলোচনার আগে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই "নতি স্বীকার" করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত সপ্তাহে পিতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর এটিই মোজতবা খামেনির প্রথম বড় কোনো পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক সিদ্ধান্ত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, মোজতবা খামেনি তার প্রথম নীতি নির্ধারণী বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার বিষয়ে অত্যন্ত "কঠোর ও অনমনীয়" অবস্থান নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, "যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পরাজয় মেনে নিচ্ছে এবং ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে, ততক্ষণ শান্তির জন্য এটি সঠিক সময় নয়।"
ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান এই যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে, যাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বর্তমানে কার্যত বন্ধ রয়েছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং চরম মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্ররা প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য সহায়তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৪ মার্চ তিনটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছিল যে, ইরান যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের দেওয়া আলোচনার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছে। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ওপর হামলার সময় মোজতবা খামেনি নিজেও আহত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে, যদিও তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৬
মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের পাঠানো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি।
প্রস্তাবটি নাকচ করে দিয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শান্তি আলোচনার আগে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই "নতি স্বীকার" করতে হবে।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত সপ্তাহে পিতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর এটিই মোজতবা খামেনির প্রথম বড় কোনো পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক সিদ্ধান্ত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা জানান, মোজতবা খামেনি তার প্রথম নীতি নির্ধারণী বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার বিষয়ে অত্যন্ত "কঠোর ও অনমনীয়" অবস্থান নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, "যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পরাজয় মেনে নিচ্ছে এবং ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে, ততক্ষণ শান্তির জন্য এটি সঠিক সময় নয়।"
ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান এই যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে, যাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বর্তমানে কার্যত বন্ধ রয়েছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং চরম মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্ররা প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য সহায়তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৪ মার্চ তিনটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছিল যে, ইরান যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের দেওয়া আলোচনার প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছে। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ওপর হামলার সময় মোজতবা খামেনি নিজেও আহত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে, যদিও তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন