বুধবার আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)-এর কর্মকর্তা এবং জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা কাবুলের বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন এবং এই সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানান।
আফগানিস্তানের ওডিআই ও টেস্ট অধিনায়ক হাশমতুল্লাহ শাহিদি সতীর্থ গুলবাদিন নায়েব এবং কাইস আহমেদ-কে সঙ্গে নিয়ে কাবুলের উজির আকবর খান হাসপাতাল ও ইমার্জেন্সি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তারা হামলায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান।
ক্রিকেটাররা আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া ও সংহতি প্রকাশ করেন।
স্থানীয় গণমাধ্যম টলো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাবুলের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে পাকিস্তানের এই বিমান হামলায় অন্তত ৪০০ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে গত ২৪ ঘণ্টায় কুনার প্রদেশ-এর বিভিন্ন ডিস্ট্রিক্টে ১২৪টি রকেট নিক্ষেপ করেছে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী। যদিও রকেট হামলায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবে কুনারের তথ্য ও সংস্কৃতি অধিদপ্তরের প্রধান জিয়া-উল-রহমান স্পিন ঘর জানিয়েছেন, এই হামলার কারণে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
এই নৃশংস হামলার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার রশিদ খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় তিনি একে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
রশিদ খান লিখেছেন, “কাবুলে পাকিস্তানি বিমান হামলায় সাধারণ মানুষের হতাহতের খবরে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। বেসামরিক ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা চিকিৎসা কেন্দ্রে হামলা চালানো, তা ইচ্ছাকৃত হোক বা ভুলবশত, এটি একটি যুদ্ধাপরাধ। পবিত্র রমজান মাসে মানুষের জীবনের প্রতি এমন চরম অবজ্ঞা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।”
তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
খামা প্রেসের তথ্যমতে, এই বিমান হামলা পাকিস্তান ও তালেবান প্রশাসন-এর মধ্যে দ্রুত অবনতিশীল সম্পর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে। নিরাপত্তা ইস্যুতে দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করে আসছে। ইতোমধ্যে জাতিসংঘ এ ঘটনায় তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।
আফগান ক্রিকেটাররা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—এই কঠিন সময়ে তারা তাদের দেশের মানুষের পাশে আছেন। রশিদ খান তার বার্তায় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “জাতি হিসেবে আমরা আবারও ঘুরে দাঁড়াব, ইনশাআল্লাহ।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
বুধবার আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)-এর কর্মকর্তা এবং জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটাররা কাবুলের বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন এবং এই সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানান।
আফগানিস্তানের ওডিআই ও টেস্ট অধিনায়ক হাশমতুল্লাহ শাহিদি সতীর্থ গুলবাদিন নায়েব এবং কাইস আহমেদ-কে সঙ্গে নিয়ে কাবুলের উজির আকবর খান হাসপাতাল ও ইমার্জেন্সি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তারা হামলায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান।
ক্রিকেটাররা আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া ও সংহতি প্রকাশ করেন।
স্থানীয় গণমাধ্যম টলো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কাবুলের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে পাকিস্তানের এই বিমান হামলায় অন্তত ৪০০ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে গত ২৪ ঘণ্টায় কুনার প্রদেশ-এর বিভিন্ন ডিস্ট্রিক্টে ১২৪টি রকেট নিক্ষেপ করেছে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী। যদিও রকেট হামলায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবে কুনারের তথ্য ও সংস্কৃতি অধিদপ্তরের প্রধান জিয়া-উল-রহমান স্পিন ঘর জানিয়েছেন, এই হামলার কারণে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।
এই নৃশংস হামলার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার রশিদ খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় তিনি একে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
রশিদ খান লিখেছেন, “কাবুলে পাকিস্তানি বিমান হামলায় সাধারণ মানুষের হতাহতের খবরে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। বেসামরিক ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা চিকিৎসা কেন্দ্রে হামলা চালানো, তা ইচ্ছাকৃত হোক বা ভুলবশত, এটি একটি যুদ্ধাপরাধ। পবিত্র রমজান মাসে মানুষের জীবনের প্রতি এমন চরম অবজ্ঞা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।”
তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
খামা প্রেসের তথ্যমতে, এই বিমান হামলা পাকিস্তান ও তালেবান প্রশাসন-এর মধ্যে দ্রুত অবনতিশীল সম্পর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে। নিরাপত্তা ইস্যুতে দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করে আসছে। ইতোমধ্যে জাতিসংঘ এ ঘটনায় তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।
আফগান ক্রিকেটাররা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন—এই কঠিন সময়ে তারা তাদের দেশের মানুষের পাশে আছেন। রশিদ খান তার বার্তায় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “জাতি হিসেবে আমরা আবারও ঘুরে দাঁড়াব, ইনশাআল্লাহ।”

আপনার মতামত লিখুন