নজর বিডি
প্রকাশ : রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬

হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর এখন আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে: ইরান

হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর এখন আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে: ইরান

হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি ওমান উপসাগরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইরানের সামরিক বাহিনীর হাতে রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির নৌবাহিনীর একজন কমান্ডার।


হরমুজ প্রণালি

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি ওমান উপসাগরও এখন ইরানি সামরিক বাহিনীর ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলে মোতায়েনরত মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির এক নৌ-কমান্ডার।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানি ওই কমান্ডার জানান, মার্কিন সৈন্যরা বর্তমানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালে রয়েছে। সীমার মধ্যে এলেই উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে। তিনি দাবি করেন, ইরানের সামরিক তৎপরতা ও মহড়ার মুখে মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ইরানি জলসীমা থেকে শত শত মাইল দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চল এবং ওমান উপসাগর বর্তমানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

হরমুজ প্রণালিকে বিশ্বের ‘জ্বালানি সরবরাহের ধমনী’ বলা হয়। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই পথ নিয়ে উত্তেজনার মূল কারণগুলো হলো:

বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। সৌদি আরব, ইরাক ও কুয়েতের মতো বড় রপ্তানিকারকরা এই পথের ওপর নির্ভরশীল।

এর একপাশে ইরান এবং অন্যপাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। প্রণালিটির সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ মাত্র ২১ মাইল প্রশস্ত, যা সামরিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ।

 ইরান এই পথ বন্ধ করে দিলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাবে, যা বৈশ্বিক মন্দার কারণ হতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা ও তাসনিম নিউজ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর এখন আমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে: ইরান

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি ওমান উপসাগরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ইরানের সামরিক বাহিনীর হাতে রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির নৌবাহিনীর একজন কমান্ডার।


হরমুজ প্রণালি

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি ওমান উপসাগরও এখন ইরানি সামরিক বাহিনীর ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলে মোতায়েনরত মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির এক নৌ-কমান্ডার।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানি ওই কমান্ডার জানান, মার্কিন সৈন্যরা বর্তমানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালে রয়েছে। সীমার মধ্যে এলেই উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে। তিনি দাবি করেন, ইরানের সামরিক তৎপরতা ও মহড়ার মুখে মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ইরানি জলসীমা থেকে শত শত মাইল দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চল এবং ওমান উপসাগর বর্তমানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

হরমুজ প্রণালিকে বিশ্বের ‘জ্বালানি সরবরাহের ধমনী’ বলা হয়। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই পথ নিয়ে উত্তেজনার মূল কারণগুলো হলো:

বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। সৌদি আরব, ইরাক ও কুয়েতের মতো বড় রপ্তানিকারকরা এই পথের ওপর নির্ভরশীল।

এর একপাশে ইরান এবং অন্যপাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। প্রণালিটির সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ মাত্র ২১ মাইল প্রশস্ত, যা সামরিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সহজ।

 ইরান এই পথ বন্ধ করে দিলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাবে, যা বৈশ্বিক মন্দার কারণ হতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা ও তাসনিম নিউজ।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত