ইরানের তেলসম্পদ এবং ‘অর্থনীতির মেরুদণ্ড’ নামে পরিচিত খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের অর্থনীতির ‘মেরুদণ্ড’ হিসেবে পরিচিত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপ (Kharg Island) দখলের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রোববার ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি ইরানের তেল সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সত্যি বলতে কি, আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ হলো ইরান থেকে তেল নেওয়া। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নির্বোধ লোক প্রশ্ন তুলবে আমি কেন এটা করছি, কিন্তু তারা আসলে কিছুই বোঝে না।”
খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা খার্গ দ্বীপের দখল নিতে পারি, নাও নিতে পারি। এমনও হতে পারে যে সেখানে দখল নিয়ে আমরা কিছু সময়ের জন্য অবস্থান করলাম। আমাদের হাতে অনেকগুলো বিকল্প খোলা আছে।”
দ্বীপটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প দাবি করেন, সেখানে কার্যকর কোনো প্রতিরোধ গড়ার সক্ষমতা ইরানের নেই। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় না খার্গ দ্বীপে ইরানের আর কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সচল আছে। আমরা খুব সহজেই সেটির দখল নিতে পারি।”
পারস্য উপসাগরের উপকূল থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মাত্র ৫ বর্গমাইলের এই দ্বীপটি ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যের ‘প্রাণকেন্দ্র’।
ইরানের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরল গ্যাস এই দ্বীপের টার্মিনাল থেকেই বিশ্ববাজারে যায়।
ইরান বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেলের মজুতকারী দেশ (প্রায় ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল)। এই তেলের বড় অংশই যায় চীনে, যা ইরানের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
ইরানের তেলসম্পদ এবং ‘অর্থনীতির মেরুদণ্ড’ নামে পরিচিত খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ইরানের অর্থনীতির ‘মেরুদণ্ড’ হিসেবে পরিচিত কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপ (Kharg Island) দখলের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রোববার ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প সরাসরি ইরানের তেল সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “সত্যি বলতে কি, আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ হলো ইরান থেকে তেল নেওয়া। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নির্বোধ লোক প্রশ্ন তুলবে আমি কেন এটা করছি, কিন্তু তারা আসলে কিছুই বোঝে না।”
খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা খার্গ দ্বীপের দখল নিতে পারি, নাও নিতে পারি। এমনও হতে পারে যে সেখানে দখল নিয়ে আমরা কিছু সময়ের জন্য অবস্থান করলাম। আমাদের হাতে অনেকগুলো বিকল্প খোলা আছে।”
দ্বীপটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প দাবি করেন, সেখানে কার্যকর কোনো প্রতিরোধ গড়ার সক্ষমতা ইরানের নেই। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় না খার্গ দ্বীপে ইরানের আর কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সচল আছে। আমরা খুব সহজেই সেটির দখল নিতে পারি।”
পারস্য উপসাগরের উপকূল থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মাত্র ৫ বর্গমাইলের এই দ্বীপটি ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যের ‘প্রাণকেন্দ্র’।
ইরানের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ও তরল গ্যাস এই দ্বীপের টার্মিনাল থেকেই বিশ্ববাজারে যায়।
ইরান বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেলের মজুতকারী দেশ (প্রায় ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল)। এই তেলের বড় অংশই যায় চীনে, যা ইরানের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন