ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধের মাঝে তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করা চতুর্থ একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে।
ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের আঁচ লাগছে প্রতিবেশি দেশগুলোতেও।
সোমবার (৩০ মার্চ) তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করা চতুর্থ একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করেছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা ন্যাটোর অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে এটি ধ্বংস করা হয়।
কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো তুরস্কের দিকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র রুখে দিল ন্যাটো। চলতি মাসেই আরও তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র একইভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল।
পূর্ববর্তী ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনার পর তুরস্কের পক্ষ থেকে তেহরানকে কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। তবে ইরান এসব ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের অনুমতি তাদের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি।
ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিতের ঘটনায় তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটির সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের হুমকির বিরুদ্ধে তারা 'কঠোর এবং কোনো দ্বিধা ছাড়াই' প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যাটো ও মিত্র দেশগুলোর সাথে সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ ও লক্ষ্যবস্তু নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও তা তুরস্ক ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধের মাঝে তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করা চতুর্থ একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে।
ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান ভয়াবহ যুদ্ধের আঁচ লাগছে প্রতিবেশি দেশগুলোতেও।
সোমবার (৩০ মার্চ) তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করা চতুর্থ একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করেছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা ন্যাটোর অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে এটি ধ্বংস করা হয়।
কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো তুরস্কের দিকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র রুখে দিল ন্যাটো। চলতি মাসেই আরও তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র একইভাবে ধ্বংস করা হয়েছিল।
পূর্ববর্তী ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনার পর তুরস্কের পক্ষ থেকে তেহরানকে কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল। তবে ইরান এসব ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে দাবি করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের অনুমতি তাদের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি।
ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিতের ঘটনায় তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশটির সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের হুমকির বিরুদ্ধে তারা 'কঠোর এবং কোনো দ্বিধা ছাড়াই' প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যাটো ও মিত্র দেশগুলোর সাথে সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ ও লক্ষ্যবস্তু নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও তা তুরস্ক ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা।

আপনার মতামত লিখুন