সাক্ষাৎকালে প্রফেসর ড. আসিফ মিজান ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে হাবিব উন নবী খান সোহেলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। তিনি বলেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে ত্যাগী ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের সুস্থতা এবং বলিষ্ঠ ভূমিকা অত্যন্ত প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অধ্যাপনা ও শিক্ষা প্রশাসনে অভিজ্ঞ প্রফেসর ড. আসিফ মিজান ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোমালিয়ার দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পান। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এই শীর্ষ পদে অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি দেশের জন্য এক বিশেষ সম্মান বয়ে এনেছেন।
সৌজন্য সাক্ষাতে তারা সোমালিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট, শিক্ষা খাতের সংস্কার এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনে শিক্ষক ও রাজনীতিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গণতন্ত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোক্তার আখন্দসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
পুরো আয়োজনটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। বক্তারা দেশের টেকসই উন্নয়ন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
সাক্ষাৎকালে প্রফেসর ড. আসিফ মিজান ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে হাবিব উন নবী খান সোহেলের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। তিনি বলেন, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে ত্যাগী ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের সুস্থতা এবং বলিষ্ঠ ভূমিকা অত্যন্ত প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অধ্যাপনা ও শিক্ষা প্রশাসনে অভিজ্ঞ প্রফেসর ড. আসিফ মিজান ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সোমালিয়ার দারুসসালাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিয়োগ পান। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এই শীর্ষ পদে অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি দেশের জন্য এক বিশেষ সম্মান বয়ে এনেছেন।
সৌজন্য সাক্ষাতে তারা সোমালিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট, শিক্ষা খাতের সংস্কার এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনে শিক্ষক ও রাজনীতিকদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গণতন্ত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোক্তার আখন্দসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
পুরো আয়োজনটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। বক্তারা দেশের টেকসই উন্নয়ন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন