ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী মঙ্গলবার ইরানের সবকিছু ‘গুঁড়িয়ে এক করে দেওয়া হবে’। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় তিনি এই হুমকি দেন।
ট্রাম্প তার পোস্টে লেখেন, “মঙ্গলবার হবে ইরানের জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র আর সেতু দিবস—সব কিছু গুঁড়িয়ে এক করে দেওয়া হবে, যা আগে কখনো দেখেনি কেউ। এখনই (হরমুজ) প্রণালি খুলে দাও... না হলে তোমাদের জাহান্নামে পড়তে হবে। শুধু দেখো এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করো।”
এর আগে ট্রাম্প সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বলেছিলেন, সোমবারের মধ্যে হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে না দিলে তিনি ইরানে ‘পুরো নরক’ নামিয়ে আনবেন। তবে মধ্যস্থতাকারীরা যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা চালিয়ে গেলেও ট্রাম্প তার হুমকির সুর আরও কঠোর করেছেন।
সম্প্রতি ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। এরপর থেকে মার্কিন এক পাইলট নিখোঁজ ছিলেন।
ইরান ওই পাইলটকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুরস্কারও ঘোষণা করেছিল। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা শত্রু সীমানার ভেতর থেকে সফল অভিযানের মাধ্যমে ওই পাইলটকে উদ্ধার করেছে। বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল। পাইলট উদ্ধারের এই ঘটনার পরপরই ট্রাম্প ইরানের ওপর চূড়ান্ত হামলার ইঙ্গিত দিলেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের শঙ্কা তৈরি করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি নিয়ে দ্বন্দ্বে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আগামী মঙ্গলবার ইরানের সবকিছু ‘গুঁড়িয়ে এক করে দেওয়া হবে’। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষায় তিনি এই হুমকি দেন।
ট্রাম্প তার পোস্টে লেখেন, “মঙ্গলবার হবে ইরানের জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্র আর সেতু দিবস—সব কিছু গুঁড়িয়ে এক করে দেওয়া হবে, যা আগে কখনো দেখেনি কেউ। এখনই (হরমুজ) প্রণালি খুলে দাও... না হলে তোমাদের জাহান্নামে পড়তে হবে। শুধু দেখো এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করো।”
এর আগে ট্রাম্প সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বলেছিলেন, সোমবারের মধ্যে হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে না দিলে তিনি ইরানে ‘পুরো নরক’ নামিয়ে আনবেন। তবে মধ্যস্থতাকারীরা যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা চালিয়ে গেলেও ট্রাম্প তার হুমকির সুর আরও কঠোর করেছেন।
সম্প্রতি ইরানের সামরিক বাহিনীর হামলায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়। এরপর থেকে মার্কিন এক পাইলট নিখোঁজ ছিলেন।
ইরান ওই পাইলটকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুরস্কারও ঘোষণা করেছিল। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা শত্রু সীমানার ভেতর থেকে সফল অভিযানের মাধ্যমে ওই পাইলটকে উদ্ধার করেছে। বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল। পাইলট উদ্ধারের এই ঘটনার পরপরই ট্রাম্প ইরানের ওপর চূড়ান্ত হামলার ইঙ্গিত দিলেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের শঙ্কা তৈরি করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি নিয়ে দ্বন্দ্বে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন