লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ আগ্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি অথবা ইসরায়েলের পক্ষে যুদ্ধ— যুক্তরাষ্ট্রকে এই দুই-এর মধ্যে যে কোনো একটিকে বেছে নিতে হবে।
লেবাননে ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর ভয়াবহ হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে এখন হয় ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে হবে, অথবা ইসরায়েলের পক্ষে যুদ্ধে নামতে হবে— দু’টি একসাথে চলতে পারে না।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি বলেন, “বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে। লেবাননে যে বিধ্বংসী হত্যাকাণ্ড চলছে, পুরো বিশ্ব তার সাক্ষী। যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে কি না, তা দেখার অপেক্ষায় সবাই।”
গত ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৫ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়। কিন্তু এই শান্তি প্রক্রিয়ার মাঝেই গতকাল বুধবার লেবাননজুড়ে মাত্র ১০ মিনিটে ১০০-এর বেশি বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। আইডিএফ (IDF)-এর ৫০টি যুদ্ধবিমান এই অভিযানে অংশ নেয়।
লেবাননের উদ্ধারকারী বাহিনীর তথ্যমতে, এই ১০ মিনিটের তাণ্ডবে ২৫৪ জন নিহত এবং ১,১০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। রাজধানী বৈরুতসহ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বোমা ফেলায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ইরান। দেশটির আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ইসরায়েল যদি লেবাননে এ ধরনের হামলা অব্যাহত রাখে, তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি থেকে বেরিয়ে যেতে পারে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ আগ্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি অথবা ইসরায়েলের পক্ষে যুদ্ধ— যুক্তরাষ্ট্রকে এই দুই-এর মধ্যে যে কোনো একটিকে বেছে নিতে হবে।
লেবাননে ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর ভয়াবহ হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রকে এখন হয় ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে হবে, অথবা ইসরায়েলের পক্ষে যুদ্ধে নামতে হবে— দু’টি একসাথে চলতে পারে না।
বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি বলেন, “বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে। লেবাননে যে বিধ্বংসী হত্যাকাণ্ড চলছে, পুরো বিশ্ব তার সাক্ষী। যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে কি না, তা দেখার অপেক্ষায় সবাই।”
গত ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ১৫ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়। কিন্তু এই শান্তি প্রক্রিয়ার মাঝেই গতকাল বুধবার লেবাননজুড়ে মাত্র ১০ মিনিটে ১০০-এর বেশি বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। আইডিএফ (IDF)-এর ৫০টি যুদ্ধবিমান এই অভিযানে অংশ নেয়।
লেবাননের উদ্ধারকারী বাহিনীর তথ্যমতে, এই ১০ মিনিটের তাণ্ডবে ২৫৪ জন নিহত এবং ১,১০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। রাজধানী বৈরুতসহ ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বোমা ফেলায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ইরান। দেশটির আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ইসরায়েল যদি লেবাননে এ ধরনের হামলা অব্যাহত রাখে, তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি থেকে বেরিয়ে যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন