ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার এক জরুরি বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ আরোপের ঘোষণাকে পূর্ণ সমর্থন জানান তিনি।
নেতানিয়াহুর দাবি, গত শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনার শর্ত ইরান ভঙ্গ করেছে। আলোচনার প্রধান শর্ত ছিল—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা বন্ধ রাখবে, যার বিনিময়ে ইরান আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ 'হরমুজ প্রণালি' খুলে দেবে।
নেতানিয়াহু বলেন, "ইরান এখন পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খোলেনি। এর মাধ্যমে তারা সরাসরি শর্ত ভঙ্গ করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও গ্রহণযোগ্য নয়।"
বৈঠকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও কথা বলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স তাকে ইসলামাবাদের আলোচনার বিস্তারিত অবহিত করেছেন। ওয়াশিংটনের দাবি অত্যন্ত স্পষ্ট—ইরানকে তাদের সমৃদ্ধকৃত সব ইউরেনিয়াম দেশ থেকে সরিয়ে নিতে হবে এবং আগামী কয়েক দশক ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে। নেতানিয়াহু এই বিষয়টিকে ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
ইরান ইস্যু নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেল আবিবের দূরত্ব তৈরি হয়েছে—এমন জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক কোনোভাবেই খারাপ হয়নি। বরং কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আগের মতোই শক্তিশালী রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই কড়া মনোভাব মধ্যপ্রাচ্যে পুনরায় বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা এবং ইউরেনিয়াম ইস্যুতে সমঝোতা না হওয়ায় যেকোনো সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার এক জরুরি বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ আরোপের ঘোষণাকে পূর্ণ সমর্থন জানান তিনি।
নেতানিয়াহুর দাবি, গত শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনার শর্ত ইরান ভঙ্গ করেছে। আলোচনার প্রধান শর্ত ছিল—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা বন্ধ রাখবে, যার বিনিময়ে ইরান আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ 'হরমুজ প্রণালি' খুলে দেবে।
নেতানিয়াহু বলেন, "ইরান এখন পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খোলেনি। এর মাধ্যমে তারা সরাসরি শর্ত ভঙ্গ করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছেও গ্রহণযোগ্য নয়।"
বৈঠকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও কথা বলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স তাকে ইসলামাবাদের আলোচনার বিস্তারিত অবহিত করেছেন। ওয়াশিংটনের দাবি অত্যন্ত স্পষ্ট—ইরানকে তাদের সমৃদ্ধকৃত সব ইউরেনিয়াম দেশ থেকে সরিয়ে নিতে হবে এবং আগামী কয়েক দশক ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হবে। নেতানিয়াহু এই বিষয়টিকে ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।
ইরান ইস্যু নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেল আবিবের দূরত্ব তৈরি হয়েছে—এমন জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক কোনোভাবেই খারাপ হয়নি। বরং কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আগের মতোই শক্তিশালী রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই কড়া মনোভাব মধ্যপ্রাচ্যে পুনরায় বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা এবং ইউরেনিয়াম ইস্যুতে সমঝোতা না হওয়ায় যেকোনো সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন