দীর্ঘ ৪০ বছর পর দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসেছে লেবানন। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে দখলদারদের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে লেবাননের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক হবে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে দেশ দুটির রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে এই ঐতিহাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে চলমান যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং হিজবুল্লাহর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ।
ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার আলোচনার প্রাক্কালে বলেন, "লেবাননের সঙ্গে ইসরায়েলের বড় কোনো বিরোধ নেই; মূল সমস্যা হলো হিজবুল্লাহ।" তিনি আরও জানান, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে এবং লক্ষ্য থাকবে লেবাননের সঙ্গে একটি স্থায়ী শান্তি ও স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরি করা।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই হাই-প্রোফাইল আলোচনায় মধ্যস্থতা করছেন। তবে ওয়াশিংটনের এই উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করেছে হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই বৈঠক থেকে আসা কোনো সিদ্ধান্তই তারা মেনে নেবে না।
সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবানন সরকার বর্তমান পরিস্থিতির জন্য হিজবুল্লাহকে দায়ী করলেও গোষ্ঠীটিকে নিরস্ত্র করার মতো পর্যাপ্ত ক্ষমতা লেবাননের সেনাবাহিনী বা সরকারের নেই।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ পর থেকে ইরানের পক্ষে ইসরায়েলে হামলা শুরু করে হিজবুল্লাহ। সম্প্রতি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ওয়াশিংটনে এই সরাসরি আলোচনার আয়োজন করা হলো।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
দীর্ঘ ৪০ বছর পর দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসেছে লেবানন। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে দখলদারদের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে লেবাননের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক হবে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে দেশ দুটির রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে এই ঐতিহাসিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। আলোচনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে চলমান যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা এবং হিজবুল্লাহর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ।
ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার আলোচনার প্রাক্কালে বলেন, "লেবাননের সঙ্গে ইসরায়েলের বড় কোনো বিরোধ নেই; মূল সমস্যা হলো হিজবুল্লাহ।" তিনি আরও জানান, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে এবং লক্ষ্য থাকবে লেবাননের সঙ্গে একটি স্থায়ী শান্তি ও স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরি করা।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই হাই-প্রোফাইল আলোচনায় মধ্যস্থতা করছেন। তবে ওয়াশিংটনের এই উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করেছে হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই বৈঠক থেকে আসা কোনো সিদ্ধান্তই তারা মেনে নেবে না।
সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবানন সরকার বর্তমান পরিস্থিতির জন্য হিজবুল্লাহকে দায়ী করলেও গোষ্ঠীটিকে নিরস্ত্র করার মতো পর্যাপ্ত ক্ষমতা লেবাননের সেনাবাহিনী বা সরকারের নেই।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ পর থেকে ইরানের পক্ষে ইসরায়েলে হামলা শুরু করে হিজবুল্লাহ। সম্প্রতি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ওয়াশিংটনে এই সরাসরি আলোচনার আয়োজন করা হলো।

আপনার মতামত লিখুন