যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়ালের রেকর্ড দরপতন হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) মুদ্রা-ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট বোনবাস্ট এবং অ্যালান্ডচান্ড জানিয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ইরানের মুদ্রা বিনিময় সংক্রান্ত ওয়েবসাইটগুলোতে দেখা যায়, প্রতি ডলারের বিনিময়ে এখন গুনতে হচ্ছে ১৮ লাখ রিয়াল। যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক অবরোধের মুখে দেশটির অর্থনীতি চরম সংকটে পড়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় ডলারের বিপরীতে রিয়ালের মান ছিল ১৭ লাখ। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে তা ১৮ লাখে গিয়ে ঠেকেছে। যদিও ইরান সরকার অফিশিয়াল রেট নির্ধারণ করে দেয়, তবে বেসরকারি বা খোলা বাজারে (বোনবাস্ট ও অ্যালান্ডচান্ড অনুযায়ী) এই নতুন রেকর্ড দরপতন পরিলক্ষিত হচ্ছে।
সর্বশেষ বিনিময় হার অনুযায়ী বাংলাদেশি মুদ্রার সাথে ইরানি রিয়ালের তুলনা করলে দেখা যায় ১ টাকা ≈ ১৪,০০০ ইরানি রিয়াল
তবে মুদ্রাস্ফীতির কারণে ইরানে এই ১৪ হাজার রিয়ালের ক্রয়ক্ষমতা অত্যন্ত নগণ্য। এই অর্থ দিয়ে ইরানে এক বোতল পানিও কেনা সম্ভব নয়; বড়জোর একটি চকলেট মিলতে পারে।
ইরানের এই অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের পেছনে প্রধানত তিনটি কারণ কাজ করছে: ১. যুদ্ধ পরিস্থিতি: টানা ৪০ দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে থাকা। ২. মার্কিন অবরোধ: ইরানি বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে অবরোধ আরোপ, যার ফলে তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ৩. দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি: মুদ্রার মান কমায় দেশটিতে খাদ্যদ্রব্যসহ নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বী হয়ে গেছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের বিপরীতে ইরানি রিয়ালের রেকর্ড দরপতন হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) মুদ্রা-ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট বোনবাস্ট এবং অ্যালান্ডচান্ড জানিয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ইরানের মুদ্রা বিনিময় সংক্রান্ত ওয়েবসাইটগুলোতে দেখা যায়, প্রতি ডলারের বিনিময়ে এখন গুনতে হচ্ছে ১৮ লাখ রিয়াল। যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক অবরোধের মুখে দেশটির অর্থনীতি চরম সংকটে পড়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় ডলারের বিপরীতে রিয়ালের মান ছিল ১৭ লাখ। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে তা ১৮ লাখে গিয়ে ঠেকেছে। যদিও ইরান সরকার অফিশিয়াল রেট নির্ধারণ করে দেয়, তবে বেসরকারি বা খোলা বাজারে (বোনবাস্ট ও অ্যালান্ডচান্ড অনুযায়ী) এই নতুন রেকর্ড দরপতন পরিলক্ষিত হচ্ছে।
সর্বশেষ বিনিময় হার অনুযায়ী বাংলাদেশি মুদ্রার সাথে ইরানি রিয়ালের তুলনা করলে দেখা যায় ১ টাকা ≈ ১৪,০০০ ইরানি রিয়াল
তবে মুদ্রাস্ফীতির কারণে ইরানে এই ১৪ হাজার রিয়ালের ক্রয়ক্ষমতা অত্যন্ত নগণ্য। এই অর্থ দিয়ে ইরানে এক বোতল পানিও কেনা সম্ভব নয়; বড়জোর একটি চকলেট মিলতে পারে।
ইরানের এই অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের পেছনে প্রধানত তিনটি কারণ কাজ করছে: ১. যুদ্ধ পরিস্থিতি: টানা ৪০ দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে থাকা। ২. মার্কিন অবরোধ: ইরানি বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে অবরোধ আরোপ, যার ফলে তেল রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ৩. দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি: মুদ্রার মান কমায় দেশটিতে খাদ্যদ্রব্যসহ নিত্যপণ্যের দাম আকাশচুম্বী হয়ে গেছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন