ইরানের মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে সংঘটিত ভয়াবহ হামলার ঘটনায় এখনো তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর ওই যৌথ হামলায় অন্তত ১৭০ জন নিহত হয়েছিল, যাদের অধিকাংশ ছিল শিক্ষার্থী।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) এক বক্তব্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “মিনাব স্কুলের সেই দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতির তদন্ত এখনো চলমান আছে।”
সংবাদ সম্মেলনে ওই হামলা পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্রের কত অর্থ ব্যয় হয়েছে সে সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে হেগসেথ সরাসরি কোনো উত্তর দেননি। তিনি বলেন, “আমি এই ঘটনার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট খরচকে যুক্ত করতে চাই না।”
একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে আগেই জানানো হয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর চরম ভুলের কারণে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য ছিল যে ঐ ভবনটিতে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো অবস্থিত। তবে সেই তথ্যটি ছিল অনেক পুরোনো। সেই ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে হামলা চালানোর ফলে শ্রেণিকক্ষে অবস্থানরত বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী প্রাণ হারায়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলাটি চালানো হয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করে। আলজাজিরার সূত্রমতে, নিহতের সংখ্যা এবং বেসামরিক নাগরিক হত্যার বিষয়টি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে সংঘটিত ভয়াবহ হামলার ঘটনায় এখনো তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।
মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর ওই যৌথ হামলায় অন্তত ১৭০ জন নিহত হয়েছিল, যাদের অধিকাংশ ছিল শিক্ষার্থী।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) এক বক্তব্যে প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “মিনাব স্কুলের সেই দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতির তদন্ত এখনো চলমান আছে।”
সংবাদ সম্মেলনে ওই হামলা পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্রের কত অর্থ ব্যয় হয়েছে সে সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে হেগসেথ সরাসরি কোনো উত্তর দেননি। তিনি বলেন, “আমি এই ঘটনার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট খরচকে যুক্ত করতে চাই না।”
একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে আগেই জানানো হয়েছিল যে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর চরম ভুলের কারণে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য ছিল যে ঐ ভবনটিতে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো অবস্থিত। তবে সেই তথ্যটি ছিল অনেক পুরোনো। সেই ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে হামলা চালানোর ফলে শ্রেণিকক্ষে অবস্থানরত বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী প্রাণ হারায়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলাটি চালানো হয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করে। আলজাজিরার সূত্রমতে, নিহতের সংখ্যা এবং বেসামরিক নাগরিক হত্যার বিষয়টি নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন