বিদ্যমান উত্তেজনা নিরসনে এবং যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি সংশোধিত নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। গত বৃহস্পতিবার মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে এই প্রস্তাবটি তেহরান থেকে ওয়াশিংটনে পৌঁছানো হয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, নতুন প্রস্তাবে ইরান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ খুলে দেওয়ার কথা বলেছে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত জটিল ইস্যুগুলোকে আপাতত চুক্তির পরবর্তী স্তরের আলোচনার জন্য রাখা হয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, পারমাণবিক আলোচনার মতো জটিল বিষয়গুলো পরবর্তী ধাপে রাখা হলে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে এবং চুক্তি সম্পন্ন করা সহজ হবে। প্রস্তাবে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যুদ্ধ শেষ হতে হবে একটি সুনির্দিষ্ট গ্যারান্টির মাধ্যমে—যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ভবিষ্যতে আর হামলা চালাবে না বলে নিশ্চয়তা দেবে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হোসেন নৌসাবাদী যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বখেকো’ হিসেবে অভিহিত করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তাদের বিতাড়িত করার ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার দেশটির বার্তা সংস্থা ইসনা নিউজকে তিনি বলেন, একসময়ের সাম্রাজ্যবাদী পর্তুগাল, নেদারল্যান্ডস ও ইংল্যান্ডকে ইরান যেভাবে উপসাগরীয় আরব অঞ্চল থেকে বিতাড়িত করেছে, একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রকেও এ অঞ্চল ছাড়তে বাধ্য করা হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আরব অঞ্চলের শান্তি ও সমৃদ্ধি নির্ভর করছে বিদেশি শক্তিকে এ অঞ্চল থেকে বিতাড়িত করার ওপর। ইরানের সামুদ্রিক সম্পদের ওপর বিদেশিদের লোলুপ দৃষ্টি প্রতিহত করার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
সূত্র: রয়টার্স, ইসনা নিউজ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
বিদ্যমান উত্তেজনা নিরসনে এবং যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি সংশোধিত নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। গত বৃহস্পতিবার মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে এই প্রস্তাবটি তেহরান থেকে ওয়াশিংটনে পৌঁছানো হয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, নতুন প্রস্তাবে ইরান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ খুলে দেওয়ার কথা বলেছে। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত জটিল ইস্যুগুলোকে আপাতত চুক্তির পরবর্তী স্তরের আলোচনার জন্য রাখা হয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, পারমাণবিক আলোচনার মতো জটিল বিষয়গুলো পরবর্তী ধাপে রাখা হলে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে এবং চুক্তি সম্পন্ন করা সহজ হবে। প্রস্তাবে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যুদ্ধ শেষ হতে হবে একটি সুনির্দিষ্ট গ্যারান্টির মাধ্যমে—যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ভবিষ্যতে আর হামলা চালাবে না বলে নিশ্চয়তা দেবে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা হোসেন নৌসাবাদী যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বখেকো’ হিসেবে অভিহিত করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তাদের বিতাড়িত করার ঘোষণা দিয়েছেন। শনিবার দেশটির বার্তা সংস্থা ইসনা নিউজকে তিনি বলেন, একসময়ের সাম্রাজ্যবাদী পর্তুগাল, নেদারল্যান্ডস ও ইংল্যান্ডকে ইরান যেভাবে উপসাগরীয় আরব অঞ্চল থেকে বিতাড়িত করেছে, একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রকেও এ অঞ্চল ছাড়তে বাধ্য করা হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আরব অঞ্চলের শান্তি ও সমৃদ্ধি নির্ভর করছে বিদেশি শক্তিকে এ অঞ্চল থেকে বিতাড়িত করার ওপর। ইরানের সামুদ্রিক সম্পদের ওপর বিদেশিদের লোলুপ দৃষ্টি প্রতিহত করার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
সূত্র: রয়টার্স, ইসনা নিউজ।

আপনার মতামত লিখুন