মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে নতুন করে সংশোধিত প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড সংশ্লিষ্ট বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ইরান তাদের নতুন প্রস্তাবে ১৪টি শর্তারোপ করেছে। যার মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হলো—ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে মার্কিন সেনাদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের এই ১৪ দফার প্রস্তাব পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এই প্রস্তাব থেকে ইতিবাচক কোনো ফলাফল আসবে কি না, তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন। তাসনিম নিউজের তথ্যমতে, ইরান পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এই প্রস্তাবটি ওয়াশিংটনের কাছে পাঠিয়েছে।
ইরানের আশপাশের দেশগুলোতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রকে গ্যারান্টি দিতে হবে যে তারা ভবিষ্যতে আর কোনো সামরিক আগ্রাসন চালাবে না। ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করা এবং দেশটির ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌ-পথে নতুন নিরাপত্তা ও চলাচল ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দুই মাসের সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিলেও ইরান ৩০ দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান করে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের ওপর জোর দিয়েছে।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি বলেছেন, "আমাদের নতুন প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করা। এখন বল যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে। তাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা কি কূটনৈতিক পথে হাঁটবে নাকি সহিংসতার পথ বেছে নেবে।"
বিশ্লেষকদের মতে, লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে চলমান সংঘাত বন্ধে এই প্রস্তাবটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কট্টর অবস্থানের কারণে প্রস্তাবটি কতটুকু বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে নতুন করে সংশোধিত প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড সংশ্লিষ্ট বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ইরান তাদের নতুন প্রস্তাবে ১৪টি শর্তারোপ করেছে। যার মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হলো—ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে মার্কিন সেনাদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের এই ১৪ দফার প্রস্তাব পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এই প্রস্তাব থেকে ইতিবাচক কোনো ফলাফল আসবে কি না, তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন। তাসনিম নিউজের তথ্যমতে, ইরান পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় এই প্রস্তাবটি ওয়াশিংটনের কাছে পাঠিয়েছে।
ইরানের আশপাশের দেশগুলোতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রকে গ্যারান্টি দিতে হবে যে তারা ভবিষ্যতে আর কোনো সামরিক আগ্রাসন চালাবে না। ইরানের জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করা এবং দেশটির ওপর আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। এই গুরুত্বপূর্ণ নৌ-পথে নতুন নিরাপত্তা ও চলাচল ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দুই মাসের সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিলেও ইরান ৩০ দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান করে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের ওপর জোর দিয়েছে।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি বলেছেন, "আমাদের নতুন প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বন্ধ করা। এখন বল যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে। তাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা কি কূটনৈতিক পথে হাঁটবে নাকি সহিংসতার পথ বেছে নেবে।"
বিশ্লেষকদের মতে, লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে চলমান সংঘাত বন্ধে এই প্রস্তাবটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কট্টর অবস্থানের কারণে প্রস্তাবটি কতটুকু বাস্তবায়িত হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আপনার মতামত লিখুন