ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন পালাবদল ঘটে গেছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে জয়লাভ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০০টিতে জয় বা এগিয়ে থেকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে যাচ্ছে মোদির দল, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস আটকে গেছে মাত্র ৮৭টি আসনে।
বিজেপির 'হিন্দুত্ববাদী' প্রচার এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা 'মুসলিম তোষণ'-এর অভিযোগ সাধারণ ভোটারদের বড় একটি অংশকে প্রভাবিত করেছে। এমনকি দীর্ঘদিনের তৃণমূল সমর্থকরাও এবার বিজেপির দিকে ঝুঁকেছেন।
তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের দুর্নীতি এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে জনমানসে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল।
নির্বাচনের আগে বিশেষ সংশোধনী প্রক্রিয়ায় প্রায় ৯০ লাখ ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়, যার মধ্যে বড় একটি অংশ ছিল সংখ্যালঘু। তৃণমূল একে 'অসাংবিধানিক' এবং বিজেপির চাল হিসেবে অভিহিত করেছে।
রেকর্ড পরিমাণ ২,৪০০ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনীর উপস্থিতি ভোটারদের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থানে প্রভাব ফেলেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
এই জয়ের মাধ্যমে মোদি কেবল পশ্চিমবঙ্গ জয় করেননি, বরং ২০২৪-এর সাধারণ নির্বাচনের ধাক্কা কাটিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করলেন। অন্যদিকে, নিজের নির্বাচনী এলাকায় শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাজপথে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন পালাবদল ঘটে গেছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে জয়লাভ করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
২৯৪টি আসনের মধ্যে ২০০টিতে জয় বা এগিয়ে থেকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে যাচ্ছে মোদির দল, যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস আটকে গেছে মাত্র ৮৭টি আসনে।
বিজেপির 'হিন্দুত্ববাদী' প্রচার এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা 'মুসলিম তোষণ'-এর অভিযোগ সাধারণ ভোটারদের বড় একটি অংশকে প্রভাবিত করেছে। এমনকি দীর্ঘদিনের তৃণমূল সমর্থকরাও এবার বিজেপির দিকে ঝুঁকেছেন।
তৃণমূলের স্থানীয় নেতাদের দুর্নীতি এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে জনমানসে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল।
নির্বাচনের আগে বিশেষ সংশোধনী প্রক্রিয়ায় প্রায় ৯০ লাখ ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়, যার মধ্যে বড় একটি অংশ ছিল সংখ্যালঘু। তৃণমূল একে 'অসাংবিধানিক' এবং বিজেপির চাল হিসেবে অভিহিত করেছে।
রেকর্ড পরিমাণ ২,৪০০ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনীর উপস্থিতি ভোটারদের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থানে প্রভাব ফেলেছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
এই জয়ের মাধ্যমে মোদি কেবল পশ্চিমবঙ্গ জয় করেননি, বরং ২০২৪-এর সাধারণ নির্বাচনের ধাক্কা কাটিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করলেন। অন্যদিকে, নিজের নির্বাচনী এলাকায় শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাজপথে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন