আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং কৃষি বিভাগের সঠিক পরামর্শে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ফলন হয়েছে বলে জানা গেছে।
অনেক কৃষক এখন সনাতন পদ্ধতির বদলে ‘মালচিং’ এবং ‘সেক্স ফেরোমন ফাঁদ’ ব্যবহার করে বিষমুক্ত সবজি চাষ করছেন। বিশেষ করে ‘রোহিণী’ বা উন্নত হাইব্রিড জাতের পোল্লা চাষে খরচ কম কিন্তু ফলন অনেক বেশি হচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাত্র ২৫-৩০ শতাংশ জমিতে পোল্লা চাষ করে অনেক কৃষক খরচ বাদে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করছেন। ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের গোনালী গ্রামের শাহজাহান মিস্ত্রীর ছেলে ইউসুফ আলী ৫০ শতক জমিতে পোল্লার চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
স্থানীয় কৃষকরা নজরবিডি কে জানান, আগে অন্য ফসল চাষে যা লাভ হতো, এখন পোল্লা চাষে তার চেয়ে দ্বিগুণ আয় হচ্ছে। বর্তমানে বাজারে এর চাহিদাও বেশ ভালো।
স্থানীয় পাইকারি বাজারে প্রতি মণ চিচিঙ্গা ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পোল্লা ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। আধুনিক বিপণন ব্যবস্থার কারণে কৃষকরা এখন জমি থেকেই সরাসরি পাইকারদের কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারছেন, যা তাদের যাতায়াত খরচ ও ভোগান্তি কমিয়ে দিচ্ছে।
ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা নজরবিডি কে জানান, পোল্লা চাষে সফল হতে হলে সঠিক সময়ে বীজ বপন এবং সুষম সার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। লতানো এই সবজির জন্য মাচা বা জাংলা মজবুত হওয়া জরুরি, যাতে ফলের ভারে তা ভেঙে না পড়ে।
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার বলেন, "ডুমুরিয়ার মাটি ও আবহাওয়া সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বিশেষ করে পোল্লার এই বাম্পার ফলন প্রান্তিক কৃষকদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার নতুন পথ দেখাচ্ছে। আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত বীজ ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করছি।"
তিনি আরও যোগ করেন, "বিষমুক্ত ও নিরাপদ সবজি উৎপাদন নিশ্চিত করতে কৃষকরা এখন জৈব সার এবং সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। পোল্লা চাষে অল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় অনেক শিক্ষিত যুবকও এখন কৃষিতে এগিয়ে আসছেন।
ডুমুরিয়ার এই সফলতাকে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিতে বাজারজাতকরণ ও বিপণন ব্যবস্থায় আমরা সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং কৃষি বিভাগের সঠিক পরামর্শে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ফলন হয়েছে বলে জানা গেছে।
অনেক কৃষক এখন সনাতন পদ্ধতির বদলে ‘মালচিং’ এবং ‘সেক্স ফেরোমন ফাঁদ’ ব্যবহার করে বিষমুক্ত সবজি চাষ করছেন। বিশেষ করে ‘রোহিণী’ বা উন্নত হাইব্রিড জাতের পোল্লা চাষে খরচ কম কিন্তু ফলন অনেক বেশি হচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাত্র ২৫-৩০ শতাংশ জমিতে পোল্লা চাষ করে অনেক কৃষক খরচ বাদে ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ করছেন। ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের গোনালী গ্রামের শাহজাহান মিস্ত্রীর ছেলে ইউসুফ আলী ৫০ শতক জমিতে পোল্লার চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
স্থানীয় কৃষকরা নজরবিডি কে জানান, আগে অন্য ফসল চাষে যা লাভ হতো, এখন পোল্লা চাষে তার চেয়ে দ্বিগুণ আয় হচ্ছে। বর্তমানে বাজারে এর চাহিদাও বেশ ভালো।
স্থানীয় পাইকারি বাজারে প্রতি মণ চিচিঙ্গা ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পোল্লা ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। আধুনিক বিপণন ব্যবস্থার কারণে কৃষকরা এখন জমি থেকেই সরাসরি পাইকারদের কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারছেন, যা তাদের যাতায়াত খরচ ও ভোগান্তি কমিয়ে দিচ্ছে।
ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা নজরবিডি কে জানান, পোল্লা চাষে সফল হতে হলে সঠিক সময়ে বীজ বপন এবং সুষম সার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। লতানো এই সবজির জন্য মাচা বা জাংলা মজবুত হওয়া জরুরি, যাতে ফলের ভারে তা ভেঙে না পড়ে।
ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার বলেন, "ডুমুরিয়ার মাটি ও আবহাওয়া সবজি চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বিশেষ করে পোল্লার এই বাম্পার ফলন প্রান্তিক কৃষকদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার নতুন পথ দেখাচ্ছে। আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত বীজ ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করছি।"
তিনি আরও যোগ করেন, "বিষমুক্ত ও নিরাপদ সবজি উৎপাদন নিশ্চিত করতে কৃষকরা এখন জৈব সার এবং সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। পোল্লা চাষে অল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় অনেক শিক্ষিত যুবকও এখন কৃষিতে এগিয়ে আসছেন।
ডুমুরিয়ার এই সফলতাকে দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিতে বাজারজাতকরণ ও বিপণন ব্যবস্থায় আমরা সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো।"

আপনার মতামত লিখুন