কোম্পানি পর্যায়ে ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আরও দুই দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আগামী ১৫ মে রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন থাকলেও ওই দিন ও তার পরবর্তী দিন (শুক্রবার ও শনিবার) সরকারি ছুটি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ফলে করদাতারা আগামী ১৭ মে (রবিবার) পর্যন্ত রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন যদি সরকারি ছুটির দিন হয়, তবে পরবর্তী কর্মদিবসই শেষ দিন হিসেবে গণ্য হবে। যেহেতু ১৫ ও ১৬ মে সরকারি ছুটি, তাই ১৭ মে পর্যন্ত সময় বর্ধিত হয়েছে।
এনবিআর জানিয়েছে, ১৭ মে-র পর আর সাধারণ সময় বৃদ্ধি করা হবে না। যদি কোনো কোম্পানি ১৭ মে-র মধ্যে রিটার্ন দিতে ব্যর্থ হয়, তবে আয়কর আইনের ১৭৪ ধারা অনুযায়ী অতিরিক্ত কর বা জরিমানা প্রদান সাপেক্ষে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলে রিটার্ন জমা দিতে পারবে। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং করদাতাদের বিশেষ সুবিধা দিতেই কয়েক দফায় এই সময় বাড়ানো হয়েছিল।
উল্লেখ্য, স্বাভাবিক ব্যক্তি (Individual) ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ছাড়া অন্য সব ক্যাটাগরির করদাতাদের জন্য এই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
কোম্পানি পর্যায়ে ২০২৫-২০২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা আরও দুই দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আগামী ১৫ মে রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন থাকলেও ওই দিন ও তার পরবর্তী দিন (শুক্রবার ও শনিবার) সরকারি ছুটি হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ফলে করদাতারা আগামী ১৭ মে (রবিবার) পর্যন্ত রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন যদি সরকারি ছুটির দিন হয়, তবে পরবর্তী কর্মদিবসই শেষ দিন হিসেবে গণ্য হবে। যেহেতু ১৫ ও ১৬ মে সরকারি ছুটি, তাই ১৭ মে পর্যন্ত সময় বর্ধিত হয়েছে।
এনবিআর জানিয়েছে, ১৭ মে-র পর আর সাধারণ সময় বৃদ্ধি করা হবে না। যদি কোনো কোম্পানি ১৭ মে-র মধ্যে রিটার্ন দিতে ব্যর্থ হয়, তবে আয়কর আইনের ১৭৪ ধারা অনুযায়ী অতিরিক্ত কর বা জরিমানা প্রদান সাপেক্ষে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলে রিটার্ন জমা দিতে পারবে। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং করদাতাদের বিশেষ সুবিধা দিতেই কয়েক দফায় এই সময় বাড়ানো হয়েছিল।
উল্লেখ্য, স্বাভাবিক ব্যক্তি (Individual) ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ছাড়া অন্য সব ক্যাটাগরির করদাতাদের জন্য এই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে।

আপনার মতামত লিখুন