শনিবার (১৬ মে) সকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের “দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)” এর আওতায় এসব বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়। স্থানীয় মৎস্যজীবীদের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সেলিমুজ্জামান সেলিম এমপি।
তিনি বলেন, নদী-খাল-বিলনির্ভর জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি এবং কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এসব কর্মসূচির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে শুরু করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগের পরিচালক আহসান হাসিব খান। তিনি বলেন, প্রান্তিক মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকর এবং এটি তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে এবং এ ধরনের সহায়তামূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম খান, সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রাজু, দপ্তর সম্পাদক মোঃ কায়েম শরীফ, মুকসুদপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু, মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ ছিরু মিয়া, বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
বক্তারা বলেন, বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং তারা আরও আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে সহায়ক হবে বলেও তারা মত প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে প্রধান অতিথি উপজেলার ৬০ জন মৎস্যজীবীর হাতে বকনা বাছুর তুলে দেন। এ সময় উপকারভোগীদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তারা সরকারের এ সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আশা ব্যক্ত করেন, গবাদিপশু পালন করে তারা অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারবেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
শনিবার (১৬ মে) সকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের “দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)” এর আওতায় এসব বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়। স্থানীয় মৎস্যজীবীদের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতে সরকারের চলমান উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সেলিমুজ্জামান সেলিম এমপি।
তিনি বলেন, নদী-খাল-বিলনির্ভর জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি এবং কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এসব কর্মসূচির সুফল সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে শুরু করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মৎস্য অধিদপ্তর ঢাকা বিভাগের পরিচালক আহসান হাসিব খান। তিনি বলেন, প্রান্তিক মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত কার্যকর এবং এটি তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে এবং এ ধরনের সহায়তামূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম খান, সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রাজু, দপ্তর সম্পাদক মোঃ কায়েম শরীফ, মুকসুদপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু, মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ ছিরু মিয়া, বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
বক্তারা বলেন, বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং তারা আরও আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে সহায়ক হবে বলেও তারা মত প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে প্রধান অতিথি উপজেলার ৬০ জন মৎস্যজীবীর হাতে বকনা বাছুর তুলে দেন। এ সময় উপকারভোগীদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তারা সরকারের এ সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আশা ব্যক্ত করেন, গবাদিপশু পালন করে তারা অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন