“দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)” এর আওতায় নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের কচুয়াডাঙ্গা এলাকায় পোনামাছ অবমুক্তকরণ করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১৫ জুন) কালিয়া উপজেলা ম্যৎস্য দপ্তরের আয়োজনে হারিয়ে যেতে বসা দেশীয় বিভিন্ন মাছের প্রজাতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ৩২০ কেজি দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অবমুক্তকৃত মাছের পোনার মধ্যে পাবদা, গুলসা, টেংরা ও শিং প্রজাতির মাছ ছিল। এসব মাছ প্রাকৃতিক জলাশয়ে বংশবিস্তার করে স্থানীয় মৎস্যসম্পদ সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম, নড়াইল জেলা মৎস্য অফিসের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. জিল্লুর রহমান, কালিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা চয়ন বিশ্বাসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রাকৃতিক জলাশয়ে নিয়মিত পোনা অবমুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের কার্যক্রম একদিকে যেমন জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সহায়ক হবে, অন্যদিকে স্থানীয় জেলেদের আয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”
পরে অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে কচুয়াডাঙ্গা বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। এ সময় স্থানীয় মৎস্যজীবী ও এলাকাবাসী উদ্যোগটিকে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানান।#
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
“দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)” এর আওতায় নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানার পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের কচুয়াডাঙ্গা এলাকায় পোনামাছ অবমুক্তকরণ করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১৫ জুন) কালিয়া উপজেলা ম্যৎস্য দপ্তরের আয়োজনে হারিয়ে যেতে বসা দেশীয় বিভিন্ন মাছের প্রজাতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ৩২০ কেজি দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অবমুক্তকৃত মাছের পোনার মধ্যে পাবদা, গুলসা, টেংরা ও শিং প্রজাতির মাছ ছিল। এসব মাছ প্রাকৃতিক জলাশয়ে বংশবিস্তার করে স্থানীয় মৎস্যসম্পদ সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম, নড়াইল জেলা মৎস্য অফিসের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. জিল্লুর রহমান, কালিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা চয়ন বিশ্বাসসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রাকৃতিক জলাশয়ে নিয়মিত পোনা অবমুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের কার্যক্রম একদিকে যেমন জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সহায়ক হবে, অন্যদিকে স্থানীয় জেলেদের আয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।”
পরে অতিথিবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে কচুয়াডাঙ্গা বিলে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। এ সময় স্থানীয় মৎস্যজীবী ও এলাকাবাসী উদ্যোগটিকে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার দাবি জানান।#

আপনার মতামত লিখুন