ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে হবু স্ত্রীকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে মো. আশরাফ হোসেন (২৮) নামে স্থানীয় এক এনসিপি নেতাকে পিটুনি দিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের ছোঁড়া ইটের আঘাতে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত ও এক পরীক্ষার্থী আহত হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের তীব্র বিক্ষোভের মুখে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বে পরীক্ষা শুরু হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভাঙ্গার কাজী শামসুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত আশরাফ হোসেন ভাঙ্গা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক এবং ভাঙ্গা পৌরসভার নূরপুর মহল্লার বাসিন্দা।
পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভাষ্য অনুযায়ী, আজ সকালে জীববিজ্ঞান বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে আশরাফ পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। তার হবু স্ত্রী ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি পরীক্ষার দিনই তিনি প্রভাব খাটিয়ে কেন্দ্রে ঢুকে হবু স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে আসছিলেন।
আজ সকালে পরীক্ষা শুরুর আগে তিনি আবারো হলে প্রবেশ করলে একই কক্ষের পরীক্ষার্থী সাজিদ ইসলামসহ কয়েকজন এর প্রতিবাদ করে। এ সময় আশরাফ তার দলীয় পরিচয় দিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখান এবং শিক্ষার্থীদের গালিগালাজ ও ধাক্কাধাক্কি করেন। এতে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বর্জন করে হল থেকে বের হয়ে আশরাফকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে তাকে গণপিটুনি দেয়।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আশরাফ দৌড়ে কেন্দ্র সচিবের কক্ষে আশ্রয় নেন। এ সময় ইটের আঘাতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত এবং সাজিদ ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থী আহত হন। এরপর শিক্ষার্থীরা আশরাফের গ্রেপ্তারের দাবিতে স্কুল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ এনসিপি নেতা আশরাফকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর সকাল ১০টার পরীক্ষা বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুনরায় শুরু করা হয়।
এনসিপি নেতার সঙ্গে ওই এসএসসি পরীক্ষার্থীর আংটি বদল হয়েছে। প্রতিটি পরীক্ষার দিনই তিনি তাকে কেন্দ্রে আনা-নেওয়া করতেন। আজ পরীক্ষা শুরুর আগে হলের ভেতর প্রবেশ করায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গোলযোগের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।"
তবে মারধরের শিকার আশরাফ হোসেন অনৈতিক সুবিধার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, "আমি কেবল হবু স্ত্রীকে পরীক্ষার হলে পৌঁছে দিতে গিয়েছিলাম। সেখানে পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগের কিছু কর্মী আমার হবু স্ত্রীকে ইভটিজিং করে। আমি এর প্রতিবাদ করায় তারা দলবল নিয়ে আমার ওপর চড়াও হয়।"

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে হবু স্ত্রীকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে মো. আশরাফ হোসেন (২৮) নামে স্থানীয় এক এনসিপি নেতাকে পিটুনি দিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের ছোঁড়া ইটের আঘাতে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত ও এক পরীক্ষার্থী আহত হয়েছেন। শিক্ষার্থীদের তীব্র বিক্ষোভের মুখে নির্ধারিত সময়ের প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বে পরীক্ষা শুরু হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভাঙ্গার কাজী শামসুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত আশরাফ হোসেন ভাঙ্গা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক এবং ভাঙ্গা পৌরসভার নূরপুর মহল্লার বাসিন্দা।
পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভাষ্য অনুযায়ী, আজ সকালে জীববিজ্ঞান বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে আশরাফ পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করেন। তার হবু স্ত্রী ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি পরীক্ষার দিনই তিনি প্রভাব খাটিয়ে কেন্দ্রে ঢুকে হবু স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে আসছিলেন।
আজ সকালে পরীক্ষা শুরুর আগে তিনি আবারো হলে প্রবেশ করলে একই কক্ষের পরীক্ষার্থী সাজিদ ইসলামসহ কয়েকজন এর প্রতিবাদ করে। এ সময় আশরাফ তার দলীয় পরিচয় দিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখান এবং শিক্ষার্থীদের গালিগালাজ ও ধাক্কাধাক্কি করেন। এতে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বর্জন করে হল থেকে বের হয়ে আশরাফকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুঁড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে তাকে গণপিটুনি দেয়।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আশরাফ দৌড়ে কেন্দ্র সচিবের কক্ষে আশ্রয় নেন। এ সময় ইটের আঘাতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত এবং সাজিদ ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থী আহত হন। এরপর শিক্ষার্থীরা আশরাফের গ্রেপ্তারের দাবিতে স্কুল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ এনসিপি নেতা আশরাফকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর সকাল ১০টার পরীক্ষা বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুনরায় শুরু করা হয়।
এনসিপি নেতার সঙ্গে ওই এসএসসি পরীক্ষার্থীর আংটি বদল হয়েছে। প্রতিটি পরীক্ষার দিনই তিনি তাকে কেন্দ্রে আনা-নেওয়া করতেন। আজ পরীক্ষা শুরুর আগে হলের ভেতর প্রবেশ করায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গোলযোগের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।"
তবে মারধরের শিকার আশরাফ হোসেন অনৈতিক সুবিধার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, "আমি কেবল হবু স্ত্রীকে পরীক্ষার হলে পৌঁছে দিতে গিয়েছিলাম। সেখানে পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগের কিছু কর্মী আমার হবু স্ত্রীকে ইভটিজিং করে। আমি এর প্রতিবাদ করায় তারা দলবল নিয়ে আমার ওপর চড়াও হয়।"

আপনার মতামত লিখুন