মুম্বাইয়ের অভিজাত এলাকা বান্দ্রায় নিজের বাসভবনে উত্তেজিত জনতার (মব) ভয়াবহ হামলার মুখে পড়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী রাবিনা ট্যান্ডন। দীর্ঘ দিন পর সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই শিউরে ওঠার মতো অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনলেন এই অভিনেত্রী।
রাবিনা জানান, ২০২৪ সালের জুনে নিজের বাড়িতেই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিপজ্জনক পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছিল তাকে। প্রায় ৩০ জন পুরুষ তার বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুর চালায় এবং টাকা-পয়সা লুটের চেষ্টা করে। সে সময় পরিবারের সুরক্ষায় তিনি নিজেই সাহসী ভূমিকা নিয়ে সামনে এসে সেই উশৃঙ্খল পরিস্থিতি সামাল দেন।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে রাবিনা বলেন, “আমি বাইরে বের হতেই ৩০ জন পুরুষ আমাকে ঘিরে ধরে এবং আমার গাড়িচালককে নির্মমভাবে মারধর করতে শুরু করে। আমি আমার চালককে টেনে কোনোমতে বাড়ির ভেতরে নিয়ে আসি। এরপর এক ব্যক্তি জোরপূর্বক বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়লে আমি নিজের সুরক্ষায় তার জামার কলার ধরে টেনে বাইরে বের করে দিই।”
অভিনেত্রী আরও জানান, ঘটনার সূত্রপাত ছিল এক নারীকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেওয়ার একটি সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগকে কেন্দ্র করে। মূলত একদল লোক রাবিনাকে এই ঘটনায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছিল।
অভিনেত্রীর দাবি, এমন একটি ভুয়া অজুহাত তুলে তার বান্দ্রার বাড়ির সামনে প্রায় ৩০ জন উত্তেজিত লোক জড়ো হয়। তবে পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গাড়িটি কাউকে স্পর্শও করেনি। এটি মূলত তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার একটি পরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইলিংয়ের ছক ছিলো।
ঘটনার সময় রাবিনার স্বামী অনিল থাডানি অফিসে ছিলেন এবং বাড়িতে শুধু তাদের সন্তানেরা ছিল। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক ছিল যে, রাবিনা যেন পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন, সেজন্য হামলাকারীরা তার মুঠোফোনটিও কেড়ে নিয়েছিল। বান্দ্রার মতো মুম্বাইয়ের একটি হাই-প্রোফাইল এলাকায় এমন ঘটনা সে সময় তারকাদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছিল।
উল্লেখ্য, ঘটনার পর মুম্বাই পুলিশ পুরো এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করে জানিয়েছিল, রাবিনা ট্যান্ডন বা তার গাড়িচালকের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্ঘটনার অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
মুম্বাইয়ের অভিজাত এলাকা বান্দ্রায় নিজের বাসভবনে উত্তেজিত জনতার (মব) ভয়াবহ হামলার মুখে পড়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী রাবিনা ট্যান্ডন। দীর্ঘ দিন পর সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই শিউরে ওঠার মতো অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনলেন এই অভিনেত্রী।
রাবিনা জানান, ২০২৪ সালের জুনে নিজের বাড়িতেই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিপজ্জনক পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছিল তাকে। প্রায় ৩০ জন পুরুষ তার বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুর চালায় এবং টাকা-পয়সা লুটের চেষ্টা করে। সে সময় পরিবারের সুরক্ষায় তিনি নিজেই সাহসী ভূমিকা নিয়ে সামনে এসে সেই উশৃঙ্খল পরিস্থিতি সামাল দেন।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে রাবিনা বলেন, “আমি বাইরে বের হতেই ৩০ জন পুরুষ আমাকে ঘিরে ধরে এবং আমার গাড়িচালককে নির্মমভাবে মারধর করতে শুরু করে। আমি আমার চালককে টেনে কোনোমতে বাড়ির ভেতরে নিয়ে আসি। এরপর এক ব্যক্তি জোরপূর্বক বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়লে আমি নিজের সুরক্ষায় তার জামার কলার ধরে টেনে বাইরে বের করে দিই।”
অভিনেত্রী আরও জানান, ঘটনার সূত্রপাত ছিল এক নারীকে গাড়ি দিয়ে ধাক্কা দেওয়ার একটি সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগকে কেন্দ্র করে। মূলত একদল লোক রাবিনাকে এই ঘটনায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছিল।
অভিনেত্রীর দাবি, এমন একটি ভুয়া অজুহাত তুলে তার বান্দ্রার বাড়ির সামনে প্রায় ৩০ জন উত্তেজিত লোক জড়ো হয়। তবে পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গাড়িটি কাউকে স্পর্শও করেনি। এটি মূলত তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার একটি পরিকল্পিত ব্ল্যাকমেইলিংয়ের ছক ছিলো।
ঘটনার সময় রাবিনার স্বামী অনিল থাডানি অফিসে ছিলেন এবং বাড়িতে শুধু তাদের সন্তানেরা ছিল। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক ছিল যে, রাবিনা যেন পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন, সেজন্য হামলাকারীরা তার মুঠোফোনটিও কেড়ে নিয়েছিল। বান্দ্রার মতো মুম্বাইয়ের একটি হাই-প্রোফাইল এলাকায় এমন ঘটনা সে সময় তারকাদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছিল।
উল্লেখ্য, ঘটনার পর মুম্বাই পুলিশ পুরো এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করে জানিয়েছিল, রাবিনা ট্যান্ডন বা তার গাড়িচালকের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্ঘটনার অভিযোগটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল।

আপনার মতামত লিখুন