যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোতে খরচ কমাতে গণহারে কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। বিশ্বখ্যাত এসব প্রযুক্তি জায়ান্টের এমন সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও সংকটে পড়েছেন দেশটিতে কর্মরত হাজার হাজার ভারতীয় নাগরিক, যারা মূলত এইচ-১বি (H-1B) ভিসা নিয়ে সেখানে পাড়ি জমিয়েছিলেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানায়, সম্প্রতি ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা (Meta) যে বিপুলসংখ্যক কর্মী ছাঁটাই করেছে, তাতে ভারতীয় এইচ-১বি ভিসাধারীরা সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভিসা নীতি অনুযায়ী, এইচ-১বি ভিসাধারী কোনো প্রবাসী যদি চাকরি হারান, তবে তাকে পরবর্তী ৬০ দিনের (গ্রেস পিরিয়ড) মধ্যে নতুন কোনো চাকরিতে যোগ দিতে হবে। অন্যথায় তাকে বাধ্যতামূলকভাবে সপরিবারে স্বদেশে ফিরে আসতে হবে। যেহেতু এই ভিসাটি মূলত নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান স্পন্সর করে থাকে, তাই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান টিকিয়ে রাখতে হলে এই ৬০ দিনের মধ্যেই নতুন কোনো কোম্পানির স্পন্সরশিপ নিশ্চিত করতে হয়।
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এবং বিশেষ করে মার্কিন প্রযুক্তি খাতে নতুন চাকরি পাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এখন প্রচলিত জনবলের চেয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির দিকে বেশি ঝুঁকছে, যার ফলে ছাঁটাইয়ের গতি ও সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে শুধুমাত্র মেটা-ই তাদের প্রায় ৮ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। এছাড়া বৈশ্বিক ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন এবং পেশাদারদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লিঙ্কডইনও প্রতিনিয়ত তাদের কর্মী সংখ্যা ও পরিধি সংকুচিত করে আনছে।
যেসব ভারতীয় প্রকৌশলী ও আইটি পেশাজীবী এসব নামী প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন, তারা কেবল সেখানে চাকরিই করছিলেন না; বরং দীর্ঘ প্রবাস জীবনে সেখানে ঘরবাড়ি কিনেছেন এবং তাদের সন্তানরা সেখানকার স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করছে। হঠাৎ চাকরি হারানোর ফলে তাদের দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ার, বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগ এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ—সবকিছুই এখন গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোতে খরচ কমাতে গণহারে কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। বিশ্বখ্যাত এসব প্রযুক্তি জায়ান্টের এমন সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও সংকটে পড়েছেন দেশটিতে কর্মরত হাজার হাজার ভারতীয় নাগরিক, যারা মূলত এইচ-১বি (H-1B) ভিসা নিয়ে সেখানে পাড়ি জমিয়েছিলেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে জানায়, সম্প্রতি ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা (Meta) যে বিপুলসংখ্যক কর্মী ছাঁটাই করেছে, তাতে ভারতীয় এইচ-১বি ভিসাধারীরা সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভিসা নীতি অনুযায়ী, এইচ-১বি ভিসাধারী কোনো প্রবাসী যদি চাকরি হারান, তবে তাকে পরবর্তী ৬০ দিনের (গ্রেস পিরিয়ড) মধ্যে নতুন কোনো চাকরিতে যোগ দিতে হবে। অন্যথায় তাকে বাধ্যতামূলকভাবে সপরিবারে স্বদেশে ফিরে আসতে হবে। যেহেতু এই ভিসাটি মূলত নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান স্পন্সর করে থাকে, তাই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান টিকিয়ে রাখতে হলে এই ৬০ দিনের মধ্যেই নতুন কোনো কোম্পানির স্পন্সরশিপ নিশ্চিত করতে হয়।
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এবং বিশেষ করে মার্কিন প্রযুক্তি খাতে নতুন চাকরি পাওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এখন প্রচলিত জনবলের চেয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির দিকে বেশি ঝুঁকছে, যার ফলে ছাঁটাইয়ের গতি ও সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে শুধুমাত্র মেটা-ই তাদের প্রায় ৮ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। এছাড়া বৈশ্বিক ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন এবং পেশাদারদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম লিঙ্কডইনও প্রতিনিয়ত তাদের কর্মী সংখ্যা ও পরিধি সংকুচিত করে আনছে।
যেসব ভারতীয় প্রকৌশলী ও আইটি পেশাজীবী এসব নামী প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন, তারা কেবল সেখানে চাকরিই করছিলেন না; বরং দীর্ঘ প্রবাস জীবনে সেখানে ঘরবাড়ি কিনেছেন এবং তাদের সন্তানরা সেখানকার স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করছে। হঠাৎ চাকরি হারানোর ফলে তাদের দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ার, বিপুল অঙ্কের বিনিয়োগ এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ—সবকিছুই এখন গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন