গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ১নং টেংরাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আছমা খানম প্রমাণ করেছেন, শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী চিন্তার সমন্বয়েই একটি বিদ্যালয়কে আদর্শ প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া সম্ভব।
শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদান, দক্ষ প্রশাসনিক নেতৃত্ব এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের মূল্যায়নে তিনি জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর এই অর্জনে বিদ্যালয়, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পুরো এলাকার মানুষ গর্বিত।
জানা গেছে, আছমা খানম এর আগেও পাঁচবার উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন এবং বিভাগীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেছেন। ধারাবাহিক এই সাফল্য তাঁর দায়িত্ববোধ, কর্মনিষ্ঠা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।
তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে নেওয়া হয়েছে নানা ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত উদ্যোগ হলো বিদ্যালয়ে আয়োজিত “ইনোভেশন মেলা”। এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের নতুন চিন্তা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এই ইনোভেশন মেলায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৭৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে আছমা খানমের ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে সর্বমহলে।
এই অর্জনে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধান শিক্ষক আছমা খানম বলেন, গোপালগঞ্জ-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম মহোদয়ের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শে এলাকার প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, “এই অর্জন শুধু আমার ব্যক্তিগত নয়; এটি সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা, ভালোবাসা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আগামী দিনে প্রাথমিক শিক্ষার আরও উন্নয়ন এবং জাতীয় পর্যায়ে সফলভাবে এগিয়ে যেতে সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মতে, আছমা খানমের সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষ নেতৃত্ব বিদ্যালয়টিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। তাঁদের প্রত্যাশা, তাঁর হাত ধরেই বিদ্যালয়টি ভবিষ্যতে আরও সাফল্য ও স্বীকৃতি অর্জন করবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ১নং টেংরাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আছমা খানম প্রমাণ করেছেন, শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী চিন্তার সমন্বয়েই একটি বিদ্যালয়কে আদর্শ প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়া সম্ভব।
শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদান, দক্ষ প্রশাসনিক নেতৃত্ব এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের মূল্যায়নে তিনি জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর এই অর্জনে বিদ্যালয়, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পুরো এলাকার মানুষ গর্বিত।
জানা গেছে, আছমা খানম এর আগেও পাঁচবার উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন এবং বিভাগীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেছেন। ধারাবাহিক এই সাফল্য তাঁর দায়িত্ববোধ, কর্মনিষ্ঠা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।
তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, আত্মবিশ্বাসী ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে নেওয়া হয়েছে নানা ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত উদ্যোগ হলো বিদ্যালয়ে আয়োজিত “ইনোভেশন মেলা”। এই আয়োজন শিক্ষার্থীদের নতুন চিন্তা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এই ইনোভেশন মেলায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ প্রাথমিক শিক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ৭৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতে আছমা খানমের ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে সর্বমহলে।
এই অর্জনে মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রধান শিক্ষক আছমা খানম বলেন, গোপালগঞ্জ-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম মহোদয়ের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শে এলাকার প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, “এই অর্জন শুধু আমার ব্যক্তিগত নয়; এটি সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা, ভালোবাসা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আগামী দিনে প্রাথমিক শিক্ষার আরও উন্নয়ন এবং জাতীয় পর্যায়ে সফলভাবে এগিয়ে যেতে সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মতে, আছমা খানমের সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষ নেতৃত্ব বিদ্যালয়টিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে। তাঁদের প্রত্যাশা, তাঁর হাত ধরেই বিদ্যালয়টি ভবিষ্যতে আরও সাফল্য ও স্বীকৃতি অর্জন করবে।

আপনার মতামত লিখুন