পাকিস্তানের সঙ্গে চীনের দীর্ঘদিনের ‘অটুট’ সম্পর্কের উচ্চসিত প্রশংসা করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও গভীর করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৫ মে) বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।
বৈঠকে পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীকে ‘পুরোনো বন্ধু’ হিসেবে স্বাগত জানিয়ে শি জিনপিং বলেন, “গত কয়েক দশক ধরে দুই দেশ একে অপরকে অনুধাবন করেছে, বিশ্বাস করেছে এবং সমর্থন জুগিয়েছে।” উল্লেখ্য, চীন যেসব দেশকে তাদের ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে ‘সর্বকালীন কৌশলগত অংশীদার’ মনে করে, পাকিস্তান তার মধ্যে অন্যতম।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ-পশ্চিম পাকিস্তানে চীনা নাগরিক ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ওপর জঙ্গি হামলা বেইজিংয়ের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসলামাবাদের বর্তমান উষ্ণ সম্পর্কও এই দ্বিপাক্ষিক সমীকরণে কিছুটা জটিলতা তৈরি করেছে।
এই প্রসঙ্গে শি জিনপিং স্পষ্ট করে বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যেভাবে ও যেদিকেই পরিবর্তিত হোক না কেন, চীন সর্বদা তার প্রতিবেশী কূটনীতিতে বেইজিং-ইসলামাবাদ সম্পর্কের উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, বৈঠকে পাকিস্তানের সঙ্গে কৃষি, শিল্প, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং প্রতিভা বিকাশের মতো আধুনিক খাতগুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে বেইজিং। একই সঙ্গে একটি যৌথ ভবিষ্যতের জন্য আরও ঘনিষ্ঠ ‘চীন-পাকিস্তান কমিউনিটি’ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন শি জিনপিং। এজন্য উচ্চ-পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক সফর ও কৌশলগত যোগাযোগ বজায় রাখার তাগিদ দেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট শি’র বক্তব্যের জবাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ চীন ও পাকিস্তানকে দুটি ‘লৌহ ভ্রাতা’ (Iron Brothers) হিসেবে অভিহিত করে বলেন, দুই দেশের এই সম্পর্ক অত্যন্ত ‘অনন্য’ ও অনন্যসাধারণ।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
পাকিস্তানের সঙ্গে চীনের দীর্ঘদিনের ‘অটুট’ সম্পর্কের উচ্চসিত প্রশংসা করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও গভীর করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (২৫ মে) বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এই আহ্বান জানান।
বৈঠকে পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীকে ‘পুরোনো বন্ধু’ হিসেবে স্বাগত জানিয়ে শি জিনপিং বলেন, “গত কয়েক দশক ধরে দুই দেশ একে অপরকে অনুধাবন করেছে, বিশ্বাস করেছে এবং সমর্থন জুগিয়েছে।” উল্লেখ্য, চীন যেসব দেশকে তাদের ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতার ক্ষেত্রে ‘সর্বকালীন কৌশলগত অংশীদার’ মনে করে, পাকিস্তান তার মধ্যে অন্যতম।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ-পশ্চিম পাকিস্তানে চীনা নাগরিক ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ওপর জঙ্গি হামলা বেইজিংয়ের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসলামাবাদের বর্তমান উষ্ণ সম্পর্কও এই দ্বিপাক্ষিক সমীকরণে কিছুটা জটিলতা তৈরি করেছে।
এই প্রসঙ্গে শি জিনপিং স্পষ্ট করে বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যেভাবে ও যেদিকেই পরিবর্তিত হোক না কেন, চীন সর্বদা তার প্রতিবেশী কূটনীতিতে বেইজিং-ইসলামাবাদ সম্পর্কের উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, বৈঠকে পাকিস্তানের সঙ্গে কৃষি, শিল্প, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং প্রতিভা বিকাশের মতো আধুনিক খাতগুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে বেইজিং। একই সঙ্গে একটি যৌথ ভবিষ্যতের জন্য আরও ঘনিষ্ঠ ‘চীন-পাকিস্তান কমিউনিটি’ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন শি জিনপিং। এজন্য উচ্চ-পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক সফর ও কৌশলগত যোগাযোগ বজায় রাখার তাগিদ দেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট শি’র বক্তব্যের জবাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ চীন ও পাকিস্তানকে দুটি ‘লৌহ ভ্রাতা’ (Iron Brothers) হিসেবে অভিহিত করে বলেন, দুই দেশের এই সম্পর্ক অত্যন্ত ‘অনন্য’ ও অনন্যসাধারণ।

আপনার মতামত লিখুন