আবেদনপত্রে আলমগীর কসাই উল্লেখ করেন, দক্ষিণ জলিলপাড় বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদের পাশে দীর্ঘদিন ধরে তিনি গরুর মাংস জবাই ও বিক্রি করে আসছেন। তার দাবি, স্থানীয় মুসল্লিদের অনুরোধে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়ে থাকে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ১৫ মে ২০২৬ তারিখে সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আরোঙ্গ দেব তাকে গরুর মাংস বিক্রি না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন।
আবেদনপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, “শুধুমাত্র শুকরের মাংস বিক্রি হবে, গরুর মাংস বিক্রি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে”— এমন মন্তব্য করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আরোঙ্গ দেব। তিনি বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। সেখানে "আলমগীর কসাইকে কোথাও গরুর মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ নয়" বলে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আমি তাকে শুধু অনুরোধ করেছি যেন নির্দিষ্ট স্থানে গরু জবাই ও বিক্রি করা হয় এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দোকানের সামনে এ ধরনের কার্যক্রম না করা হয়, যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকে।”
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ বলেন, “গোপালগঞ্জ জেলার কোথাও গরুর মাংস বিক্রিতে কোনো বিধিনিষেধ নেই। কোন বাজারে কোন পণ্য বিক্রি হবে বা হবে না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার জেলা প্রশাসন ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতা বজায় রেখে সব সম্প্রদায়ের মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করাই এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার সর্বোত্তম পথ।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
আবেদনপত্রে আলমগীর কসাই উল্লেখ করেন, দক্ষিণ জলিলপাড় বাসস্ট্যান্ড জামে মসজিদের পাশে দীর্ঘদিন ধরে তিনি গরুর মাংস জবাই ও বিক্রি করে আসছেন। তার দাবি, স্থানীয় মুসল্লিদের অনুরোধে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়ে থাকে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ১৫ মে ২০২৬ তারিখে সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আরোঙ্গ দেব তাকে গরুর মাংস বিক্রি না করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন।
আবেদনপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, “শুধুমাত্র শুকরের মাংস বিক্রি হবে, গরুর মাংস বিক্রি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে”— এমন মন্তব্য করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আরোঙ্গ দেব। তিনি বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। সেখানে "আলমগীর কসাইকে কোথাও গরুর মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ নয়" বলে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আমি তাকে শুধু অনুরোধ করেছি যেন নির্দিষ্ট স্থানে গরু জবাই ও বিক্রি করা হয় এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দোকানের সামনে এ ধরনের কার্যক্রম না করা হয়, যাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকে।”
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ বলেন, “গোপালগঞ্জ জেলার কোথাও গরুর মাংস বিক্রিতে কোনো বিধিনিষেধ নেই। কোন বাজারে কোন পণ্য বিক্রি হবে বা হবে না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার জেলা প্রশাসন ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতা বজায় রেখে সব সম্প্রদায়ের মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করাই এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার সর্বোত্তম পথ।

আপনার মতামত লিখুন