নজর বিডি
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

যুদ্ধবিরতির পরও থামেনি হামলা, এক রাতেই ধ্বংস ২০ ভবন

যুদ্ধবিরতির পরও থামেনি হামলা, এক রাতেই ধ্বংস ২০ ভবন
ছবি: সংগৃহিত

লেবাননে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি আনতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত ১৬ এপ্রিল ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল ও Hezbollah-এর মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই হামলা-পাল্টা হামলা চলছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে।


দক্ষিণ লেবাননের বাজারিয়ে শহরের নির্বাচিত স্থানীয় প্রতিনিধি ইয়াদ ওয়াতফি বলেন, “এখন আর ফিরে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। গত এক সপ্তাহেই এক রাতে আমাদের শহরের ২০টি ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে।”


তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পরও বাজারিয়ে শহরে একাধিক বিমান হামলা ও সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। একসময় প্রায় ১৩ হাজার মানুষের বসবাস ছিল শহরটিতে।


এদিকে সাইদনের কাছে একটি স্কুলকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রূপান্তর করা হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন বাস্তুচ্যুত বহু পরিবার। তাদেরই একজন তালেব দীব, যিনি পেশায় নির্মাণশ্রমিক। পরিবার নিয়ে তিনি বাজারিয়ে ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।


অন্যদিকে ১০ মে দক্ষিণ লেবাননের বেদিয়াস শহরে ঘটে আরেক মর্মান্তিক ঘটনা। ৪৮ বছর বয়সী চিকিৎসাকর্মী ওয়ায়েল আল-আমিন ভাইয়ের বাড়ির বাইরে বসে সন্তানদের খেলতে দেখছিলেন। আকাশে তখন ড্রোনের শব্দ শোনা যাচ্ছিল।সূত্র: রিইটার্স।


তিনি বলেন, “আমি ভাবছিলাম, ওদের খেলতে দিই। ওরা তো শিশু। শিশুদের কে লক্ষ্যবস্তু বানাবে?”


কিছুক্ষণ পরই ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আহত অবস্থায় আট বছরের ছেলেকে খুঁজে পান তিনি। ছেলেকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পর জানতে পারেন, হামলায় তার ভাই নিহত হয়েছেন।


চলমান সংঘাত ও অনিশ্চয়তায় দক্ষিণ লেবাননের বহু পরিবার এখনো আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও সাধারণ মানুষের কাছে শান্তি এখনো অধরাই রয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


যুদ্ধবিরতির পরও থামেনি হামলা, এক রাতেই ধ্বংস ২০ ভবন

প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬

featured Image

লেবাননে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি আনতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত ১৬ এপ্রিল ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েল ও Hezbollah-এর মধ্যে প্রায় প্রতিদিনই হামলা-পাল্টা হামলা চলছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে।


দক্ষিণ লেবাননের বাজারিয়ে শহরের নির্বাচিত স্থানীয় প্রতিনিধি ইয়াদ ওয়াতফি বলেন, “এখন আর ফিরে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। গত এক সপ্তাহেই এক রাতে আমাদের শহরের ২০টি ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে।”


তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পরও বাজারিয়ে শহরে একাধিক বিমান হামলা ও সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। একসময় প্রায় ১৩ হাজার মানুষের বসবাস ছিল শহরটিতে।


এদিকে সাইদনের কাছে একটি স্কুলকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রূপান্তর করা হয়েছে। সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন বাস্তুচ্যুত বহু পরিবার। তাদেরই একজন তালেব দীব, যিনি পেশায় নির্মাণশ্রমিক। পরিবার নিয়ে তিনি বাজারিয়ে ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন।


অন্যদিকে ১০ মে দক্ষিণ লেবাননের বেদিয়াস শহরে ঘটে আরেক মর্মান্তিক ঘটনা। ৪৮ বছর বয়সী চিকিৎসাকর্মী ওয়ায়েল আল-আমিন ভাইয়ের বাড়ির বাইরে বসে সন্তানদের খেলতে দেখছিলেন। আকাশে তখন ড্রোনের শব্দ শোনা যাচ্ছিল।সূত্র: রিইটার্স।


তিনি বলেন, “আমি ভাবছিলাম, ওদের খেলতে দিই। ওরা তো শিশু। শিশুদের কে লক্ষ্যবস্তু বানাবে?”


কিছুক্ষণ পরই ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে পুরো এলাকা। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আহত অবস্থায় আট বছরের ছেলেকে খুঁজে পান তিনি। ছেলেকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পর জানতে পারেন, হামলায় তার ভাই নিহত হয়েছেন।


চলমান সংঘাত ও অনিশ্চয়তায় দক্ষিণ লেবাননের বহু পরিবার এখনো আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও সাধারণ মানুষের কাছে শান্তি এখনো অধরাই রয়ে গেছে।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত