জাতীয় শিশুকিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসর-এর ঢাকা মহানগরী শতদল শাখার উদ্যোগে ‘রঙিন স্বপ্নে ঈদ উৎসবের রঙতুলি’ শীর্ষক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) রাজধানীর উত্তরার উত্তরা হাই স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ উৎসবে উত্তরার বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকার প্রায় ৫০০ শিশু অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিশুদের জন্য পবিত্রতার প্রতীক বিভিন্ন ফুলের নামে ছয়টি গ্রুপ গঠন করা হয়। গ্রুপগুলোর নাম ছিল রক্তজবা, কাঠগোলাপ, রজনীগন্ধা, হাসনাহেনা, জুঁই ও চামেলি। দিনব্যাপী আয়োজনে সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা, ছবি আঁকা, ‘হাতে-কলমে শিখি’, নিরাপত্তা ও ফার্স্ট এইড বিষয়ক প্রশিক্ষণ এবং রোল প্লে (দলীয় অভিনয়) অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া প্রতিটি গ্রুপের শিশুদের জন্য বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেক। এছাড়াও সৌদি আরব, মিশর, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন ও তুরস্ক থেকে আগত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অতিথিরা শিশুদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তোমাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের নেতৃত্ব গড়ে উঠবে। জীবনে নানা বাধা-বিপত্তি আসবে, তবে অধ্যবসায় ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সেগুলো অতিক্রম করে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে।” তারা শিশুদের জ্ঞান-বিজ্ঞান ও নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ হয়ে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।
বক্তারা আরও বলেন, সৃজনশীল ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শিশুদের মেধা, মনন ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উল্লেখ্য, ফুলকুঁড়ি আসর ১৯৭৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। একতা, শিক্ষা, চরিত্র, স্বাস্থ্য ও সেবা—এই পাঁচটি আদর্শকে ধারণ করে সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে দেশব্যাপী শিশুকিশোরদের শিক্ষা, শরীরচর্চা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে মেধা বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
জাতীয় শিশুকিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসর-এর ঢাকা মহানগরী শতদল শাখার উদ্যোগে ‘রঙিন স্বপ্নে ঈদ উৎসবের রঙতুলি’ শীর্ষক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) রাজধানীর উত্তরার উত্তরা হাই স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ উৎসবে উত্তরার বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকার প্রায় ৫০০ শিশু অংশগ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিশুদের জন্য পবিত্রতার প্রতীক বিভিন্ন ফুলের নামে ছয়টি গ্রুপ গঠন করা হয়। গ্রুপগুলোর নাম ছিল রক্তজবা, কাঠগোলাপ, রজনীগন্ধা, হাসনাহেনা, জুঁই ও চামেলি। দিনব্যাপী আয়োজনে সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা, ছবি আঁকা, ‘হাতে-কলমে শিখি’, নিরাপত্তা ও ফার্স্ট এইড বিষয়ক প্রশিক্ষণ এবং রোল প্লে (দলীয় অভিনয়) অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া প্রতিটি গ্রুপের শিশুদের জন্য বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেক। এছাড়াও সৌদি আরব, মিশর, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন ও তুরস্ক থেকে আগত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অতিথিরা শিশুদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তোমাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের নেতৃত্ব গড়ে উঠবে। জীবনে নানা বাধা-বিপত্তি আসবে, তবে অধ্যবসায় ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সেগুলো অতিক্রম করে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে।” তারা শিশুদের জ্ঞান-বিজ্ঞান ও নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ হয়ে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।
বক্তারা আরও বলেন, সৃজনশীল ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শিশুদের মেধা, মনন ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উল্লেখ্য, ফুলকুঁড়ি আসর ১৯৭৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। একতা, শিক্ষা, চরিত্র, স্বাস্থ্য ও সেবা—এই পাঁচটি আদর্শকে ধারণ করে সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে দেশব্যাপী শিশুকিশোরদের শিক্ষা, শরীরচর্চা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে মেধা বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন