ঢাকা বিভাগের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করায় দোহার উপজেলা প্রশাসন নতুন স্বীকৃতি পেয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসের মূল্যায়নে বিভাগজুড়ে সেরা ১০ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাঈদুল ইসলাম। তিনি এ তালিকায় চতুর্থ স্থান অর্জন করেছেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে দোহার উপজেলার এই সাফল্যকে প্রশাসনিক দক্ষতা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার ফল হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিবন্ধন কার্যক্রমের ওপর নিয়মিত নজরদারি, জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক উদ্যোগ এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার কারণে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি অনলাইন নিবন্ধন সেবাকে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজলভ্য করাও ইতিবাচক ফল বয়ে এনেছে।
দোহার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নাগরিকদের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এর ফলে নিবন্ধন সেবার আওতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সেবাগ্রহীতাদের অংশগ্রহণও বেড়েছে।
প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দক্ষতা ও জনমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে ৩৬ বিসিএস কর্মকর্তা মো. মাঈদুল ইসলাম ইতোমধ্যে দোহারে ইতিবাচক পরিবর্তনের ছাপ রেখেছেন বলে স্থানীয়রা মনে করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও মো. মাঈদুল ইসলাম বলেন, “দোহার পৌরসভা এলাকার মধ্যে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আগে এ খাতের অবস্থা খুবই দুর্বল ছিল। সেখান থেকে পরিস্থিতির উন্নয়নই আমাদের এই অগ্রগতির মূল ভিত্তি। ভবিষ্যতেও নিবন্ধন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও জনবান্ধব করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ স্বীকৃতি দোহার উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রমেও নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং জনসেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
ঢাকা বিভাগের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করায় দোহার উপজেলা প্রশাসন নতুন স্বীকৃতি পেয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাসের মূল্যায়নে বিভাগজুড়ে সেরা ১০ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন দোহার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাঈদুল ইসলাম। তিনি এ তালিকায় চতুর্থ স্থান অর্জন করেছেন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে দোহার উপজেলার এই সাফল্যকে প্রশাসনিক দক্ষতা ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার ফল হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নিবন্ধন কার্যক্রমের ওপর নিয়মিত নজরদারি, জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক উদ্যোগ এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার কারণে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি অনলাইন নিবন্ধন সেবাকে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সহজলভ্য করাও ইতিবাচক ফল বয়ে এনেছে।
দোহার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নাগরিকদের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এর ফলে নিবন্ধন সেবার আওতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সেবাগ্রহীতাদের অংশগ্রহণও বেড়েছে।
প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে দক্ষতা ও জনমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে ৩৬ বিসিএস কর্মকর্তা মো. মাঈদুল ইসলাম ইতোমধ্যে দোহারে ইতিবাচক পরিবর্তনের ছাপ রেখেছেন বলে স্থানীয়রা মনে করেন।
এ বিষয়ে ইউএনও মো. মাঈদুল ইসলাম বলেন, “দোহার পৌরসভা এলাকার মধ্যে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আগে এ খাতের অবস্থা খুবই দুর্বল ছিল। সেখান থেকে পরিস্থিতির উন্নয়নই আমাদের এই অগ্রগতির মূল ভিত্তি। ভবিষ্যতেও নিবন্ধন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও জনবান্ধব করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ স্বীকৃতি দোহার উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য সেবামূলক কার্যক্রমেও নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে এবং জনসেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।

আপনার মতামত লিখুন