খুলনার সোনাডাঙ্গায় তরকারি পুড়ে যাওয়ার অপরাধে মিলন নামে এক গৃহপরিচারিকাকে (৩৫) নির্মমভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে। নির্যাতনের শিকার ওই নারীকে গরম কড়াই দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়ার পাশাপাশি লাঠি দিয়ে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার সোলার পার্কের পাশে ওই পুলিশ দম্পতির ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন— সোনাডাঙ্গা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সঞ্জয় মিত্র এবং তাঁর স্ত্রী একই থানার এএসআই পপি মিত্র।
খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এর মাধ্যমে পুলিশ গিয়ে নির্যাতিত গৃহপরিচারিকাকে উদ্ধার করে সোনাডাঙ্গা থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে যায়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুরে ওই বাড়ির বারান্দায় মিলন নামের ওই গৃহপরিচারিকাকে লাঠি দিয়ে আঘাত ও কান ধরে ওঠবস করানো হচ্ছিল। বিষয়টি দেখতে পেয়ে একজন সংবাদকর্মী এবং তিনজন সামাজিক সংগঠনের নারী নেত্রী ওই বাসায় ঢোকার চেষ্টা করলে প্রথমে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাঁরা কৌশলে ৯৯৯-এ কল দিয়ে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন এবং মারাত্মক জখম অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকারীরা জানান, গৃহপরিচারিকার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গরম খুন্তি ও কড়াইয়ের ছ্যাঁকার তাজা ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। কেবল আজই নয়, এর আগেও তাঁর ওপর বিভিন্ন সময় শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে যার দাগ তাঁর শরীরে রয়েছে।
"আজ দুপুরে কুমড়ার তরকারি পুড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ওই গৃহপরিচারিকার ওপর এই নির্মম ও অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।"
— প্রত্যক্ষদর্শী
জানা গেছে, নির্যাতনের শিকার মিলন নরসিংদীর বাসিন্দা। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর তিনি এএসআই পপি মিত্রের বাবার বাড়িতে থাকতেন। গত ৫ বছর ধরে তিনি এই পুলিশ দম্পতির সঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন।
সহকর্মী দম্পতির এমন নির্মমতায় সোনাডাঙ্গা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই বিষয়ে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন:
"৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ওই গৃহকর্মীকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
অভিযুক্ত দুই এএসআই-কে বর্তমানে থানায় আনা হয়েছে, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে এখনও চূড়ান্ত কোনো প্রশাসনিক বা আইনি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।"

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
খুলনার সোনাডাঙ্গায় তরকারি পুড়ে যাওয়ার অপরাধে মিলন নামে এক গৃহপরিচারিকাকে (৩৫) নির্মমভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে। নির্যাতনের শিকার ওই নারীকে গরম কড়াই দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়ার পাশাপাশি লাঠি দিয়ে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার সোলার পার্কের পাশে ওই পুলিশ দম্পতির ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তরা হলেন— সোনাডাঙ্গা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সঞ্জয় মিত্র এবং তাঁর স্ত্রী একই থানার এএসআই পপি মিত্র।
খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এর মাধ্যমে পুলিশ গিয়ে নির্যাতিত গৃহপরিচারিকাকে উদ্ধার করে সোনাডাঙ্গা থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে যায়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, দুপুরে ওই বাড়ির বারান্দায় মিলন নামের ওই গৃহপরিচারিকাকে লাঠি দিয়ে আঘাত ও কান ধরে ওঠবস করানো হচ্ছিল। বিষয়টি দেখতে পেয়ে একজন সংবাদকর্মী এবং তিনজন সামাজিক সংগঠনের নারী নেত্রী ওই বাসায় ঢোকার চেষ্টা করলে প্রথমে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাঁরা কৌশলে ৯৯৯-এ কল দিয়ে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন এবং মারাত্মক জখম অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করেন।
উদ্ধারকারীরা জানান, গৃহপরিচারিকার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গরম খুন্তি ও কড়াইয়ের ছ্যাঁকার তাজা ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। কেবল আজই নয়, এর আগেও তাঁর ওপর বিভিন্ন সময় শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে যার দাগ তাঁর শরীরে রয়েছে।
"আজ দুপুরে কুমড়ার তরকারি পুড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ওই গৃহপরিচারিকার ওপর এই নির্মম ও অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।"
— প্রত্যক্ষদর্শী
জানা গেছে, নির্যাতনের শিকার মিলন নরসিংদীর বাসিন্দা। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর তিনি এএসআই পপি মিত্রের বাবার বাড়িতে থাকতেন। গত ৫ বছর ধরে তিনি এই পুলিশ দম্পতির সঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন।
সহকর্মী দম্পতির এমন নির্মমতায় সোনাডাঙ্গা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই বিষয়ে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন:
"৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ওই গৃহকর্মীকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
অভিযুক্ত দুই এএসআই-কে বর্তমানে থানায় আনা হয়েছে, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে এখনও চূড়ান্ত কোনো প্রশাসনিক বা আইনি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।"

আপনার মতামত লিখুন