দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু (এমপি) বলেছেন, শিশু নন্দিনীর হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত নিষ্ঠুর, নির্মম ও নৃশংস এক ঘটনা; কোনো সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষ এমন বর্বরোচিত কাণ্ড ঘটাতে পারে না। প্রশাসন ইতোমধ্যে মূল হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে এবং আসামি হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার স্বীকারোক্তি দিয়েছে। এই জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডের শতভাগ ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সরকার সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেবে।
আজ ১৮ জুন ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) সকালে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নে নিহত শিশু নন্দিনীর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের কাছে মন্ত্রী এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানান, বাজেট অধিবেশন তথা সংসদ চলমান থাকা সত্ত্বেও খোদ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং নিজেদের মানবিক বোধ ও তাগিদ থেকে তিনি নিজে এবং লালমনিরহাটের অন্য দুই সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান ও রোকন উদ্দিন বাবুল দ্রুত এখানে ছুটে এসেছেন।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ভাঙচুরের ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে আসাদুল হাবিব বলেন, "শিশু হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যারা ‘মব’ (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) সৃষ্টি করে পুরো বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করেছেন, জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের গাড়িতে আগুন দিয়েছেন এবং জনমনে ত্রাস ও ভীতির সঞ্চার করেছেন, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। বর্তমান সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।"
নন্দিনীর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎকালে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহা. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, একেএম মোমিনুল হকসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গত ১৬ জুন (মঙ্গলবার) সকালে আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়ন থেকে নিখোঁজ হওয়া ৭ বছরের শিশু নন্দিনী রানীর বস্তাবন্দী মরদেহ একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার বিধান চন্দ্র নামের এক মাদকাসক্ত যুবক শিশুটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপর চড়াও হয় এবং অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও ওসিসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রায় ৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে জনতা। এ সময় ডিসির গাড়িসহ প্রশাসনের মোট ৭টি গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয়।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ লালমনিরহাট, আদিতমারী, শিশু নন্দিনী হত্যা, আসাদুল হাবিব দুলু, ত্রাণমন্ত্রী, মব জাস্টিস, জেলা প্রশাসক অবরুদ্ধ, ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান, রোকন উদ্দিন বাবুল, অপরাধ সংবাদ, আঞ্চলিক খবর Lalmonirhat, Aditmari, Child Nandini Murder, Asadul Habib Dulu, Relief Minister, Mob Violence Lalmonirhat, DC Vehicle Vandalized, Barrister Hasan Rajib Prodhan, Rokon Uddin Babul, Crime News Bangladesh, Local News

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু (এমপি) বলেছেন, শিশু নন্দিনীর হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত নিষ্ঠুর, নির্মম ও নৃশংস এক ঘটনা; কোনো সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষ এমন বর্বরোচিত কাণ্ড ঘটাতে পারে না। প্রশাসন ইতোমধ্যে মূল হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে এবং আসামি হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার স্বীকারোক্তি দিয়েছে। এই জঘন্যতম হত্যাকাণ্ডের শতভাগ ন্যায়বিচার নিশ্চিতে সরকার সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেবে।
আজ ১৮ জুন ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) সকালে লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নে নিহত শিশু নন্দিনীর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের কাছে মন্ত্রী এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানান, বাজেট অধিবেশন তথা সংসদ চলমান থাকা সত্ত্বেও খোদ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং নিজেদের মানবিক বোধ ও তাগিদ থেকে তিনি নিজে এবং লালমনিরহাটের অন্য দুই সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজীব প্রধান ও রোকন উদ্দিন বাবুল দ্রুত এখানে ছুটে এসেছেন।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ভাঙচুরের ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করে আসাদুল হাবিব বলেন, "শিশু হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যারা ‘মব’ (উচ্ছৃঙ্খল জনতা) সৃষ্টি করে পুরো বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করেছেন, জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের গাড়িতে আগুন দিয়েছেন এবং জনমনে ত্রাস ও ভীতির সঞ্চার করেছেন, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। বর্তমান সরকার দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।"
নন্দিনীর পরিবারের সাথে সাক্ষাৎকালে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মুহা. রাশেদুল হক প্রধান, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, একেএম মোমিনুল হকসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গত ১৬ জুন (মঙ্গলবার) সকালে আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়ন থেকে নিখোঁজ হওয়া ৭ বছরের শিশু নন্দিনী রানীর বস্তাবন্দী মরদেহ একটি ভুট্টাক্ষেত থেকে উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার বিধান চন্দ্র নামের এক মাদকাসক্ত যুবক শিশুটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপর চড়াও হয় এবং অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও ওসিসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের প্রায় ৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে জনতা। এ সময় ডিসির গাড়িসহ প্রশাসনের মোট ৭টি গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয়।

আপনার মতামত লিখুন