চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মোঃ আইয়ুবকে (আলীক) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৭।
রোববার (২১ জুন ২০২৬) ভোরে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দুর্গম দুরছড়ি এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৭ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করার পর রোববার ভোর ৬:০০ টায় দুর্গম দুরছড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে তার বোনের বাড়ি থেকে তাকে আটক করতে সক্ষম হন র্যাবের বিশেষ দলের সদস্যরা।
গ্রেপ্তার আইয়ুব চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের আব্দুল মোনাফের ছেলে। তিনি চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে আইয়ুব দেশের বিভিন্ন স্থানে অবিরত অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন। র্যাবের একটি বিশেষ দল দীর্ঘদিন ধরে তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে আসছিল।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইয়ুবকে চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন মজুমদার র্যাবের অভিযানে আইয়ুবের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন:
"যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৯ নম্বর আসামি মোঃ আইয়ুব আলীকে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
গত ১৩ জুন ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর এলাকায় প্রকাশ্যে সশস্ত্র হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এই বর্বরোচিত হামলায় নিহত হন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ। এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ১৯ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিবিড় তদন্তাধীন রয়েছে। এ পর্যন্ত মামলার একাধিক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বিষয় : নজরবিডি সংবাদ মাসুদ হত্যা মামলা, যুবদল নেতা খুন, মোঃ আইয়ুব গ্রেপ্তার, র্যাব-৭, রাঙ্গামাটি অভিযান, বাঘাইছড়ি, রাঙ্গুনিয়া যুবদল, রাউজান কদলপুর, চট্টগ্রাম অপরাধ Masud Murder Case, Jubo Dal Leader Killed, Md Ayub Arrested, RAB 7, Rangamati Raid, Baghaichhari, Rangunia Jubo Dal, Raozan Kadalpur, Chittagong Crime

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মোঃ আইয়ুবকে (আলীক) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৭।
রোববার (২১ জুন ২০২৬) ভোরে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার খেদারমারা ইউনিয়নের দুর্গম দুরছড়ি এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৭ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্ত করার পর রোববার ভোর ৬:০০ টায় দুর্গম দুরছড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে তার বোনের বাড়ি থেকে তাকে আটক করতে সক্ষম হন র্যাবের বিশেষ দলের সদস্যরা।
গ্রেপ্তার আইয়ুব চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের আব্দুল মোনাফের ছেলে। তিনি চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে আইয়ুব দেশের বিভিন্ন স্থানে অবিরত অবস্থান পরিবর্তন করছিলেন। র্যাবের একটি বিশেষ দল দীর্ঘদিন ধরে তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে আসছিল।
গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইয়ুবকে চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন মজুমদার র্যাবের অভিযানে আইয়ুবের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন:
"যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৯ নম্বর আসামি মোঃ আইয়ুব আলীকে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
গত ১৩ জুন ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর এলাকায় প্রকাশ্যে সশস্ত্র হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এই বর্বরোচিত হামলায় নিহত হন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ। এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ১৯ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিবিড় তদন্তাধীন রয়েছে। এ পর্যন্ত মামলার একাধিক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন