জামালপুরের দেউড়পাড় চন্দ্রা এলাকায় অবস্থিত সাবেক বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের দৃষ্টিনন্দন বাগানবাড়ি ‘আলেয়া গার্ডেন’ এখন পরিত্যক্ত ও জরাজীর্ণ।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাড়িটিতে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই রিসোর্টটি মাদকসেবী ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আড্ডায় পরিণত হয়েছে।
দীর্ঘ সময় জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় মির্জা আজম প্রায় ৬ একর জমির ওপর তার স্ত্রীর নামে এই বাগানবাড়িটি গড়ে তুলেছিলেন। ‘রং মহল’ নামে পরিচিত এই বাগানবাড়িতে এক সময় দেশি-বিদেশি দুই শতাধিক প্রজাতির গাছ, বিলাসবহুল ভবন এবং আধুনিক খামার ছিল। এক সময় এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকলেও বর্তমানে সেটি বিরানভূমিতে পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাগানবাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর ভেতরে মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যা নামার পরপরই শহর থেকে বিভিন্ন অপরাধী ও মাদকসেবীরা এখানে এসে নেশার আসর বসায়। মাদক কেনাবেচার নিরাপদ কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে এই নির্জন স্থানটি।
স্থানীয় বাসিন্দা হযরত আলী বলেন, "৫ আগস্টের পর থেকে এটি মাদকাসক্তদের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। এখান থেকে এলাকার যুবকরাও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। ভয়ে ও আতঙ্কে এলাকাবাসী প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না।" স্থানীয় অপর একজন কৃষক জানান, পুলিশকে বিষয়টি জানালেও যথাযথ সহযোগিতা পাওয়া যায় না।
এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান সার্বক্ষণিক চলমান রয়েছে। ওই স্থানটিতে গুরুত্ব সহকারে অভিযান পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
জামালপুরের দেউড়পাড় চন্দ্রা এলাকায় অবস্থিত সাবেক বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের দৃষ্টিনন্দন বাগানবাড়ি ‘আলেয়া গার্ডেন’ এখন পরিত্যক্ত ও জরাজীর্ণ।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাড়িটিতে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই রিসোর্টটি মাদকসেবী ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আড্ডায় পরিণত হয়েছে।
দীর্ঘ সময় জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী থাকা অবস্থায় মির্জা আজম প্রায় ৬ একর জমির ওপর তার স্ত্রীর নামে এই বাগানবাড়িটি গড়ে তুলেছিলেন। ‘রং মহল’ নামে পরিচিত এই বাগানবাড়িতে এক সময় দেশি-বিদেশি দুই শতাধিক প্রজাতির গাছ, বিলাসবহুল ভবন এবং আধুনিক খামার ছিল। এক সময় এটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকলেও বর্তমানে সেটি বিরানভূমিতে পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বাগানবাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর ভেতরে মাদক সেবনের বিভিন্ন উপকরণ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সন্ধ্যা নামার পরপরই শহর থেকে বিভিন্ন অপরাধী ও মাদকসেবীরা এখানে এসে নেশার আসর বসায়। মাদক কেনাবেচার নিরাপদ কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে এই নির্জন স্থানটি।
স্থানীয় বাসিন্দা হযরত আলী বলেন, "৫ আগস্টের পর থেকে এটি মাদকাসক্তদের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে। এখান থেকে এলাকার যুবকরাও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। ভয়ে ও আতঙ্কে এলাকাবাসী প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছে না।" স্থানীয় অপর একজন কৃষক জানান, পুলিশকে বিষয়টি জানালেও যথাযথ সহযোগিতা পাওয়া যায় না।
এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান সার্বক্ষণিক চলমান রয়েছে। ওই স্থানটিতে গুরুত্ব সহকারে অভিযান পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

আপনার মতামত লিখুন