মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত পূর্ব বাড়ৈখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠন নিয়ে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, এই কমিটি গঠনে প্রচলিত বিধি-বিধান ও স্বচ্ছতা অনুসরণ করা হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের অধিকাংশ অভিভাবককে না জানিয়ে গোপনে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রকৃত অভিভাবক প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে বিশেষ স্বার্থান্বেষী ব্যক্তিদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করারও অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি, বিদ্যালয় পরিচালনায় তাদের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেন যে, কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্ব, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আর্থিক লেনদেনের ঘটনাও ঘটেছে। এতে বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ ও সুশাসন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নতুন করে এডহক কমিটি গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পূর্বে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রমাণ পাওয়া গেলেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে পূর্ব বাড়ৈখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন:
"আমরা মা সমাবেশ করেছি, শ্রেণি কক্ষে সবাইকে জানিয়েছি। ৩ সদস্যের বিদ্যোৎসাহী সদস্য এবং অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে দুইজন পুরুষ ও দুইজন মহিলার নাম জমা দিয়েছি।
এমপি মহোদয় যাকে অনুমোদন দিবেন তিনিই হবেন। অভিভাবকদের স্বাক্ষর আমার নিকট আছে। আর্থিক লেনদেনের যে অভিযোগ উঠেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।"

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত পূর্ব বাড়ৈখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি গঠন নিয়ে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, এই কমিটি গঠনে প্রচলিত বিধি-বিধান ও স্বচ্ছতা অনুসরণ করা হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের অধিকাংশ অভিভাবককে না জানিয়ে গোপনে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রকৃত অভিভাবক প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে বিশেষ স্বার্থান্বেষী ব্যক্তিদের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করারও অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় অভিভাবকদের দাবি, বিদ্যালয় পরিচালনায় তাদের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেন যে, কমিটি গঠনের প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্ব, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আর্থিক লেনদেনের ঘটনাও ঘটেছে। এতে বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ ও সুশাসন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নতুন করে এডহক কমিটি গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পূর্বে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রমাণ পাওয়া গেলেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে পূর্ব বাড়ৈখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন:
"আমরা মা সমাবেশ করেছি, শ্রেণি কক্ষে সবাইকে জানিয়েছি। ৩ সদস্যের বিদ্যোৎসাহী সদস্য এবং অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে দুইজন পুরুষ ও দুইজন মহিলার নাম জমা দিয়েছি।
এমপি মহোদয় যাকে অনুমোদন দিবেন তিনিই হবেন। অভিভাবকদের স্বাক্ষর আমার নিকট আছে। আর্থিক লেনদেনের যে অভিযোগ উঠেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।"

আপনার মতামত লিখুন