লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নৃশংসভাবে মা ও তিন বোনকে হারানোর পর শোকের সাগরে ভাসছেন পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য সিফাত হোসেন (১৮)। ২০১৯ সালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবাকে হারানোর পর মা শাহিনুর বেগমের অতিকষ্টে বড় হওয়া সিফাতের পৃথিবীটা যেন মুহূর্তেই অন্ধকারে ঢেকে গেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে সিফাত তার কর্মস্থল রায়পুর বণিক সমিতির সভাপতির ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজে ছিলেন। বেলা ১১টার দিকে নিজের মা ও তিন বোনের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। সিফাতের আর্তনাদে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের সহায়তায় বর্তমানে তাকে বণিক সমিতির সভাপতির বাসায় রাখা হয়েছে। শোকের ভারে তিনি এখন বাকরুদ্ধ, কারো সঙ্গে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।
সিফাতের পরিবার মূলত কুমিল্লার বাসিন্দা হলেও দীর্ঘ ১২-১৪ বছর ধরে রায়পুরে ভাড়া বাসায় থাকছিলেন। বাবা কামাল হোসেন মারা যাওয়ার পর মা শাহিনুর বেগম তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে জীবনসংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
নিহতরা হলেন, মা শাহিনুর বেগম (৩৮), সায়মা আক্তার (২১): আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করা মেধাবী শিক্ষার্থী। ইকরা আক্তার (১৭): স্থানীয় লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। শিফা আক্তার (৯): স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
বণিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম মুরাদ জানান, সিফাত সিফাত রায়পুর সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র হওয়ার পাশাপাশি তার দোকানে কাজ করত। তিনি বলেন, “ছেলেটির আর কেউ নেই এ পৃথিবীতে। বাবা মারা যাওয়ার পর মা অনেক কষ্ট করে তাদের বড় করেছিলেন। এখন পরিবারের সবাইকে হারিয়ে ছেলেটি সম্পূর্ণ একা হয়ে পড়েছে।”
রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়া জানান, নিহতদের বাড়ি কুমিল্লায় হওয়ায় তাদের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে মরদেহগুলো হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এই ঘটনায় হামলাকারী যুবক রতন মজুমদার গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার বিষয়টিও পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে নৃশংসভাবে মা ও তিন বোনকে হারানোর পর শোকের সাগরে ভাসছেন পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য সিফাত হোসেন (১৮)। ২০১৯ সালে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাবাকে হারানোর পর মা শাহিনুর বেগমের অতিকষ্টে বড় হওয়া সিফাতের পৃথিবীটা যেন মুহূর্তেই অন্ধকারে ঢেকে গেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে সিফাত তার কর্মস্থল রায়পুর বণিক সমিতির সভাপতির ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজে ছিলেন। বেলা ১১টার দিকে নিজের মা ও তিন বোনের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। সিফাতের আর্তনাদে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের সহায়তায় বর্তমানে তাকে বণিক সমিতির সভাপতির বাসায় রাখা হয়েছে। শোকের ভারে তিনি এখন বাকরুদ্ধ, কারো সঙ্গে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।
সিফাতের পরিবার মূলত কুমিল্লার বাসিন্দা হলেও দীর্ঘ ১২-১৪ বছর ধরে রায়পুরে ভাড়া বাসায় থাকছিলেন। বাবা কামাল হোসেন মারা যাওয়ার পর মা শাহিনুর বেগম তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে জীবনসংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
নিহতরা হলেন, মা শাহিনুর বেগম (৩৮), সায়মা আক্তার (২১): আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করা মেধাবী শিক্ষার্থী। ইকরা আক্তার (১৭): স্থানীয় লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। শিফা আক্তার (৯): স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
বণিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম মুরাদ জানান, সিফাত সিফাত রায়পুর সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র হওয়ার পাশাপাশি তার দোকানে কাজ করত। তিনি বলেন, “ছেলেটির আর কেউ নেই এ পৃথিবীতে। বাবা মারা যাওয়ার পর মা অনেক কষ্ট করে তাদের বড় করেছিলেন। এখন পরিবারের সবাইকে হারিয়ে ছেলেটি সম্পূর্ণ একা হয়ে পড়েছে।”
রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়া জানান, নিহতদের বাড়ি কুমিল্লায় হওয়ায় তাদের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে মরদেহগুলো হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এই ঘটনায় হামলাকারী যুবক রতন মজুমদার গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার বিষয়টিও পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন