শরীয়তপুরের ডামুড্যায় বাড়ির বাগানে লেবু পাড়তে গিয়ে বিষধর সাপের ছোবলে নিলুফা বেগম (৫৫) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। সাপে কাটার পর দ্রুত হাসপাতালে না গিয়ে কবিরাজের কাছে ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নেওয়ায় মূল্যবান সময় নষ্ট হয়, যা তার মৃত্যুর অন্যতম কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে ডামুড্যা উপজেলার চর নারায়ণপুর গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নিলুফা বেগম ওই গ্রামের সাত্তার দেওয়ানের স্ত্রী। স্বজনরা জানান, দুপুরের দিকে বাড়ির পেছনের লেবুবাগানে লেবু পাড়তে গেলে একটি বিষধর সাপ তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচে ছোবল দেয়।
সাপে কাটার পর পরিবার তাকে প্রথমে স্থানীয় এক কবিরাজের কাছে ঝাড়ফুঁকের জন্য নিয়ে যায়। সেখানে দীর্ঘ সময় অপচিকিৎসার ফলে তার অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে বিকেল নাগাদ তাকে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, "রোগীটিকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছে। হাসপাতালে আমাদের সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, “সাপে দংশনের পর ওঝা বা কবিরাজের কাছে না গিয়ে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে এলে জীবন বাঁচানো সম্ভব। স্থানীয়দের সচেতন থাকার জন্য বিশেষ আহ্বান জানান তিনি।”

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
শরীয়তপুরের ডামুড্যায় বাড়ির বাগানে লেবু পাড়তে গিয়ে বিষধর সাপের ছোবলে নিলুফা বেগম (৫৫) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। সাপে কাটার পর দ্রুত হাসপাতালে না গিয়ে কবিরাজের কাছে ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নেওয়ায় মূল্যবান সময় নষ্ট হয়, যা তার মৃত্যুর অন্যতম কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে ডামুড্যা উপজেলার চর নারায়ণপুর গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নিলুফা বেগম ওই গ্রামের সাত্তার দেওয়ানের স্ত্রী। স্বজনরা জানান, দুপুরের দিকে বাড়ির পেছনের লেবুবাগানে লেবু পাড়তে গেলে একটি বিষধর সাপ তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচে ছোবল দেয়।
সাপে কাটার পর পরিবার তাকে প্রথমে স্থানীয় এক কবিরাজের কাছে ঝাড়ফুঁকের জন্য নিয়ে যায়। সেখানে দীর্ঘ সময় অপচিকিৎসার ফলে তার অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। পরে বিকেল নাগাদ তাকে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. নাসির উদ্দিন বলেন, "রোগীটিকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছে। হাসপাতালে আমাদের সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, “সাপে দংশনের পর ওঝা বা কবিরাজের কাছে না গিয়ে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে এলে জীবন বাঁচানো সম্ভব। স্থানীয়দের সচেতন থাকার জন্য বিশেষ আহ্বান জানান তিনি।”

আপনার মতামত লিখুন