বরগুনার তালতলীতে জেলেদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত ৫ টন চাল আত্মসাতের অভিযোগে কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য মো. ফজলুল হক বাচ্চুর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দুর্নীতি দমন আইনে দায়ের করা এই মামলার বাদী একই ইউনিয়ন পরিষদের আরেক ইউপি সদস্য মুহাম্মদ রেদওয়ান উল্লাহ।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাটকা আহরণ থেকে বিরত থাকা নিবন্ধিত ৭৬৫ জন জেলে পরিবারের জন্য ৪ মাসের কিস্তিতে মোট ৬৬ টন ৮৮০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে গত ১০ এপ্রিল ৬১ টন চাল বিতরণ করা হলেও অবশিষ্ট ৫ টন চাল বিতরণ না করে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. ফজলুল হক বাচ্চু আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় অন্যান্য ইউপি সদস্যরা গত ২২ এপ্রিল জেলা প্রশাসক ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ জানান। পরবর্তীতে গত ৪ জুন আইনি নোটিশ দেওয়া হলেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় অবশেষে আদালতে মামলা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বরগুনার সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইবুনাল-১ আদালতে মামলাটি দায়ের করা হলে বিচারক মো. সাইফুর রহমান তা আমলে নেন। আদালতের নির্দেশে আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পটুয়াখালী কার্যালয়কে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জিয়া উদ্দিন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. ফজলুল হক বাচ্চুর মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
বরগুনার পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালত পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
বরগুনার তালতলীতে জেলেদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত ৫ টন চাল আত্মসাতের অভিযোগে কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য মো. ফজলুল হক বাচ্চুর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দুর্নীতি দমন আইনে দায়ের করা এই মামলার বাদী একই ইউনিয়ন পরিষদের আরেক ইউপি সদস্য মুহাম্মদ রেদওয়ান উল্লাহ।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাটকা আহরণ থেকে বিরত থাকা নিবন্ধিত ৭৬৫ জন জেলে পরিবারের জন্য ৪ মাসের কিস্তিতে মোট ৬৬ টন ৮৮০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে গত ১০ এপ্রিল ৬১ টন চাল বিতরণ করা হলেও অবশিষ্ট ৫ টন চাল বিতরণ না করে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. ফজলুল হক বাচ্চু আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় অন্যান্য ইউপি সদস্যরা গত ২২ এপ্রিল জেলা প্রশাসক ও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ জানান। পরবর্তীতে গত ৪ জুন আইনি নোটিশ দেওয়া হলেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় অবশেষে আদালতে মামলা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বরগুনার সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইবুনাল-১ আদালতে মামলাটি দায়ের করা হলে বিচারক মো. সাইফুর রহমান তা আমলে নেন। আদালতের নির্দেশে আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পটুয়াখালী কার্যালয়কে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জিয়া উদ্দিন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. ফজলুল হক বাচ্চুর মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
বরগুনার পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আদালত পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

আপনার মতামত লিখুন