ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হওয়ার পর এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এমপি বলেছেন, “দুর্নীতি ও চুরিচামারি বন্ধ করে দায়বদ্ধতার সঙ্গে কাজ করতে পারলে বিদ্যমান বাজেটেই হাসপাতাল সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব।”
শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যেও স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। হাসপাতালে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাব খাটিয়ে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ আর থাকবে না।”
হাসপাতালের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, “হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে যন্ত্রপাতি এবং চিকিৎসক-নার্সের অপ্রতুলতা দূর করা হবে। রোগীদের সেবা দেওয়াই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। যদি হার্টের রোগী বা অন্য কোনো জটিল সমস্যার রোগীকে চিকিৎসা না দিয়ে ঢাকায় রেফার করতে হয়, তবে সেই দায়ভার অদক্ষতা হিসেবেই গণ্য হবে। সভাপতি হিসেবে বা ম্যানেজমেন্ট কমিটির কাজের সক্ষমতা যদি রোগীদের সমস্যার সমাধান করতে না পারে, তবে সেই কমিটির কোনো প্রয়োজন নেই।”
শামা ওবায়েদ জানান, হাসপাতালের গেট থেকে শুরু করে ভেতরের প্রতিটি কার্যক্রম ম্যানেজমেন্ট কমিটির নখদর্পণে থাকতে হবে। টিমওয়ার্কের মাধ্যমেই হাসপাতালের সেবার মান পরিবর্তন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ দিলরুবা জেবা, হাসপাতালের পরিচালক হুমায়ূন কবির, জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হওয়ার পর এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এমপি বলেছেন, “দুর্নীতি ও চুরিচামারি বন্ধ করে দায়বদ্ধতার সঙ্গে কাজ করতে পারলে বিদ্যমান বাজেটেই হাসপাতাল সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব।”
শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যেও স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। হাসপাতালে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাব খাটিয়ে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ আর থাকবে না।”
হাসপাতালের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, “হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে যন্ত্রপাতি এবং চিকিৎসক-নার্সের অপ্রতুলতা দূর করা হবে। রোগীদের সেবা দেওয়াই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। যদি হার্টের রোগী বা অন্য কোনো জটিল সমস্যার রোগীকে চিকিৎসা না দিয়ে ঢাকায় রেফার করতে হয়, তবে সেই দায়ভার অদক্ষতা হিসেবেই গণ্য হবে। সভাপতি হিসেবে বা ম্যানেজমেন্ট কমিটির কাজের সক্ষমতা যদি রোগীদের সমস্যার সমাধান করতে না পারে, তবে সেই কমিটির কোনো প্রয়োজন নেই।”
শামা ওবায়েদ জানান, হাসপাতালের গেট থেকে শুরু করে ভেতরের প্রতিটি কার্যক্রম ম্যানেজমেন্ট কমিটির নখদর্পণে থাকতে হবে। টিমওয়ার্কের মাধ্যমেই হাসপাতালের সেবার মান পরিবর্তন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ দিলরুবা জেবা, হাসপাতালের পরিচালক হুমায়ূন কবির, জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন