কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের করিয়ারদিয়া এলাকায় একটি মৎস্য প্রজেক্টে ডাকাতির চেষ্টার সময় স্থানীয়দের সহায়তায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৬ জুন) ভোর ৪টার দিকে উজানটিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিছাখালী বাহিরের ঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলেন— মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা এলাকার মৃত উলা মিয়ার ছেলে নেজাম উদ্দিন (৩৭) এবং নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝেরপাড়া এলাকার আব্দুল জব্বারের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩৫)।
স্থানীয়রা জানান, মহেশখালীর মাতারবাড়ী এলাকার কথিত 'মোক্তার বাহিনীর' প্রধান মোক্তারের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি করিয়ারদিয়া এলাকার একটি মৎস্য প্রজেক্টে ডাকাতির উদ্দেশ্যে অবস্থান নেয়। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। বিক্ষুব্ধ জনতার উপস্থিতি টের পেয়ে মোক্তারসহ অন্যরা পালিয়ে গেলেও স্থানীয়রা দুই সহযোগীকে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের হেফাজতে নেয়।
মৎস্য ঘেরের মালিক মোকতার আহমদ জানান, রাতে তার পরিচালনাধীন মৎস্য ঘেরে ডাকাতরা হানা দিলে স্থানীয়রা তাদের ঘেরাও করে গণপিটুনি দেয় এবং অস্ত্রসহ পুলিশে সোপর্দ করে।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশীয় এলজি, দুটি তাজা শর্টগানের কার্তুজ, ১৫টি খালি শর্টগানের কার্তুজ এবং একটি ইঞ্জিনচালিত বোট জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনসহ সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।"
আটককৃতদের শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় চিকিৎসার জন্য পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কথিত বাহিনী প্রধান মোক্তারের বিরুদ্ধে কক্সবাজারের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পলাতক অন্যান্য অপরাধীদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের করিয়ারদিয়া এলাকায় একটি মৎস্য প্রজেক্টে ডাকাতির চেষ্টার সময় স্থানীয়দের সহায়তায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৬ জুন) ভোর ৪টার দিকে উজানটিয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিছাখালী বাহিরের ঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতরা হলেন— মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা এলাকার মৃত উলা মিয়ার ছেলে নেজাম উদ্দিন (৩৭) এবং নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝেরপাড়া এলাকার আব্দুল জব্বারের ছেলে শহিদুল ইসলাম (৩৫)।
স্থানীয়রা জানান, মহেশখালীর মাতারবাড়ী এলাকার কথিত 'মোক্তার বাহিনীর' প্রধান মোক্তারের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি করিয়ারদিয়া এলাকার একটি মৎস্য প্রজেক্টে ডাকাতির উদ্দেশ্যে অবস্থান নেয়। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। বিক্ষুব্ধ জনতার উপস্থিতি টের পেয়ে মোক্তারসহ অন্যরা পালিয়ে গেলেও স্থানীয়রা দুই সহযোগীকে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের হেফাজতে নেয়।
মৎস্য ঘেরের মালিক মোকতার আহমদ জানান, রাতে তার পরিচালনাধীন মৎস্য ঘেরে ডাকাতরা হানা দিলে স্থানীয়রা তাদের ঘেরাও করে গণপিটুনি দেয় এবং অস্ত্রসহ পুলিশে সোপর্দ করে।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশীয় এলজি, দুটি তাজা শর্টগানের কার্তুজ, ১৫টি খালি শর্টগানের কার্তুজ এবং একটি ইঞ্জিনচালিত বোট জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনসহ সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।"
আটককৃতদের শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় চিকিৎসার জন্য পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কথিত বাহিনী প্রধান মোক্তারের বিরুদ্ধে কক্সবাজারের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। পলাতক অন্যান্য অপরাধীদের ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন