বরিশালের নদীকেন্দ্রিক পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ করতে কীর্তনখোলা নদীতে যাত্রা শুরু করেছে কাঠ ও বাঁশের তৈরি ঐতিহ্যবাহী বিলাসবহুল পর্যটন বোট ‘কুইন অব উলানিয়া’।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে বোটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
বোটটির স্বত্বাধিকারী সৈয়দ রাজিউর রহমান চৌধুরী জানান, কুষ্টিয়া থেকে সংগৃহীত ঐতিহ্যবাহী কাঠের নৌকাটিকে দীর্ঘ সংস্কার ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে পর্যটন উপযোগী করা হয়েছে। এর অভ্যন্তরের সাজসজ্জায় কাঠ ও বাঁশের ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ছোঁয়া ফুটে ওঠে। ২০২৫ সালের জুন মাসে সংগ্রহ করার পর চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল এটি চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হয়।
প্রধান অতিথি ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, সরকার ‘সাংস্কৃতিক গ্রাম’ গড়ে তোলার মাধ্যমে পর্যটন শিল্পকে জনপ্রিয় করতে কাজ করছে। তিনি বরিশাল ও ঝালকাঠির স্থানীয় শিল্প ও নদীকেন্দ্রিক পর্যটন বিকাশে এডিবিতে পাঠানো পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, ‘কুইন অব উলানিয়া’ বরিশালের পর্যটন সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেওয়ার একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।
উদ্যোক্তা সৈয়দ রাজিউর রহমান চৌধুরী জানান, এটি কেবল পর্যটন বোট হিসেবেই নয়, বরং দুর্গম চরাঞ্চলে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতেও ব্যবহৃত হবে। ভবিষ্যতে এই বোটের মাধ্যমে মেডিকেল ক্যাম্প, চক্ষু ক্যাম্প ও কিডনি ক্যাম্পের মতো জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়ারুল আলম সুমন বলেন, এই নৌ-তরীকে কাজে লাগিয়ে সরকার শিশু-কিশোরদের জন্য শিক্ষামূলক ভ্রমণ ও নদীভিত্তিক শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালনা করতে পারে।
উদ্বোধনের পর সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে কীর্তনখোলা নদীতে এক মনোরম ভ্রমণ সম্পন্ন করে বোটটি। নদীমাতৃক বরিশালে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এই সমন্বয় দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
বরিশালের নদীকেন্দ্রিক পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ করতে কীর্তনখোলা নদীতে যাত্রা শুরু করেছে কাঠ ও বাঁশের তৈরি ঐতিহ্যবাহী বিলাসবহুল পর্যটন বোট ‘কুইন অব উলানিয়া’।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে বোটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।
বোটটির স্বত্বাধিকারী সৈয়দ রাজিউর রহমান চৌধুরী জানান, কুষ্টিয়া থেকে সংগৃহীত ঐতিহ্যবাহী কাঠের নৌকাটিকে দীর্ঘ সংস্কার ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে পর্যটন উপযোগী করা হয়েছে। এর অভ্যন্তরের সাজসজ্জায় কাঠ ও বাঁশের ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ছোঁয়া ফুটে ওঠে। ২০২৫ সালের জুন মাসে সংগ্রহ করার পর চলতি বছরের ১৪ এপ্রিল এটি চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হয়।
প্রধান অতিথি ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, সরকার ‘সাংস্কৃতিক গ্রাম’ গড়ে তোলার মাধ্যমে পর্যটন শিল্পকে জনপ্রিয় করতে কাজ করছে। তিনি বরিশাল ও ঝালকাঠির স্থানীয় শিল্প ও নদীকেন্দ্রিক পর্যটন বিকাশে এডিবিতে পাঠানো পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, ‘কুইন অব উলানিয়া’ বরিশালের পর্যটন সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেওয়ার একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।
উদ্যোক্তা সৈয়দ রাজিউর রহমান চৌধুরী জানান, এটি কেবল পর্যটন বোট হিসেবেই নয়, বরং দুর্গম চরাঞ্চলে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতেও ব্যবহৃত হবে। ভবিষ্যতে এই বোটের মাধ্যমে মেডিকেল ক্যাম্প, চক্ষু ক্যাম্প ও কিডনি ক্যাম্পের মতো জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. খায়ারুল আলম সুমন বলেন, এই নৌ-তরীকে কাজে লাগিয়ে সরকার শিশু-কিশোরদের জন্য শিক্ষামূলক ভ্রমণ ও নদীভিত্তিক শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালনা করতে পারে।
উদ্বোধনের পর সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে কীর্তনখোলা নদীতে এক মনোরম ভ্রমণ সম্পন্ন করে বোটটি। নদীমাতৃক বরিশালে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এই সমন্বয় দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

আপনার মতামত লিখুন