বাণিজ্যিক রাজধানীখ্যাত নওগাঁর সাপাহারের আম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এবার পাড়ি জমালো সুদূর যুক্তরাষ্ট্রে।
শুক্রবার (২৬ জুন) ‘গ্রামীণ কৃষক এগ্রো’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ‘Golden Bengal Mango’ ব্র্যান্ড নামে প্রাথমিকভাবে এক টন আম্রপালি আম যুক্তরাষ্ট্রের বার্কিং শহরে রপ্তানি করেছে।
রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান জানায়, আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে প্রতিটি আমে ‘ভেপার হিট ট্রিটমেন্ট’ (VHT) করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসম্মত প্যাকেজিং ও বাংলাদেশ উদ্ভিদ সংনিরোধ দপ্তরের অনুমোদনের পরই আমগুলো রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করা হয়। প্রাথমিক চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে মোট ১০ মেট্রিক টন আম পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এছাড়া জার্মানি ও ফ্রান্সসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশেও আম পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
গ্রামীণ কৃষক এগ্রোর স্বত্বাধিকারী আহমদ আলী বলেন, “এটি শুধু আমের চালান নয়, এটি বাংলাদেশের কৃষকের পরিশ্রম ও সক্ষমতার প্রতীক। বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে বাংলার খাঁটি স্বাদ ও আস্থা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান জানান, বিদেশে রপ্তানিযোগ্য মানসম্মত আম উৎপাদনে কৃষি বিভাগ সবসময় কৃষকদের পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে আসছে। এ মৌসুমে নওগাঁ থেকে প্রায় ১,১০০ মেট্রিক টন আম বিদেশে রপ্তানির আশা করছে কৃষি বিভাগ।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে নওগাঁর ৩০ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে, যেখানে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। গত বছরের তুলনায় এ বছর আমের ফলন ও আবাদ—দুটোই বেড়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
বাণিজ্যিক রাজধানীখ্যাত নওগাঁর সাপাহারের আম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এবার পাড়ি জমালো সুদূর যুক্তরাষ্ট্রে।
শুক্রবার (২৬ জুন) ‘গ্রামীণ কৃষক এগ্রো’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান ‘Golden Bengal Mango’ ব্র্যান্ড নামে প্রাথমিকভাবে এক টন আম্রপালি আম যুক্তরাষ্ট্রের বার্কিং শহরে রপ্তানি করেছে।
রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান জানায়, আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে প্রতিটি আমে ‘ভেপার হিট ট্রিটমেন্ট’ (VHT) করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসম্মত প্যাকেজিং ও বাংলাদেশ উদ্ভিদ সংনিরোধ দপ্তরের অনুমোদনের পরই আমগুলো রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করা হয়। প্রাথমিক চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে মোট ১০ মেট্রিক টন আম পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। এছাড়া জার্মানি ও ফ্রান্সসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশেও আম পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
গ্রামীণ কৃষক এগ্রোর স্বত্বাধিকারী আহমদ আলী বলেন, “এটি শুধু আমের চালান নয়, এটি বাংলাদেশের কৃষকের পরিশ্রম ও সক্ষমতার প্রতীক। বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে বাংলার খাঁটি স্বাদ ও আস্থা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।”
নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান জানান, বিদেশে রপ্তানিযোগ্য মানসম্মত আম উৎপাদনে কৃষি বিভাগ সবসময় কৃষকদের পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে আসছে। এ মৌসুমে নওগাঁ থেকে প্রায় ১,১০০ মেট্রিক টন আম বিদেশে রপ্তানির আশা করছে কৃষি বিভাগ।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে নওগাঁর ৩০ হাজার ৩১০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে, যেখানে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন। গত বছরের তুলনায় এ বছর আমের ফলন ও আবাদ—দুটোই বেড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন