কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে বিপুল পরিমাণ টাকা ও স্বর্ণালংকারের পাশাপাশি পাওয়া গেছে অসংখ্য আবেদনময়ী চিঠি ও চিরকুট। বিশেষ করে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারের দাবি ও বাংলাদেশ ফুটবল দলকে বিশ্বকাপে দেখার আকুতিসহ বিভিন্ন প্রার্থনা সম্বলিত চিরকুটগুলো নজর কেড়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় দীর্ঘ ৬ মাস পর মসজিদটির ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়। দানবাক্সগুলো থেকে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়। দানবাক্স খোলার পর মসজিদের দুই তলায় গণনার কাজ শুরু হলে সেখানে নামে-বেনামে অসংখ্য চিঠি ও চিরকুট বেরিয়ে আসে।
এর মধ্যে একটি চিরকুটে লেখা রয়েছে—‘হাদি হত্যার বিচার চাই’। অপর একটি চিঠিতে এক ফুটবলপ্রেমী লিখেছেন, ‘হে আল্লাহ, আপনি সর্বশক্তিমান... আমি চাই ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে আমার প্রিয় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করুক। লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বকাপের মঞ্চে উড়ুক এবং কোটি বাংলাদেশির স্বপ্ন পূরণ হোক।’
দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত গণনা করে ১০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে এবং বিরতির পর পুনরায় গণনার কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিবারের মতোই পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া এসব মানবিক ও আবেগপূর্ণ আবেদনগুলো স্থানীয় ও দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে বিপুল পরিমাণ টাকা ও স্বর্ণালংকারের পাশাপাশি পাওয়া গেছে অসংখ্য আবেদনময়ী চিঠি ও চিরকুট। বিশেষ করে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারের দাবি ও বাংলাদেশ ফুটবল দলকে বিশ্বকাপে দেখার আকুতিসহ বিভিন্ন প্রার্থনা সম্বলিত চিরকুটগুলো নজর কেড়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় দীর্ঘ ৬ মাস পর মসজিদটির ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়। দানবাক্সগুলো থেকে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়। দানবাক্স খোলার পর মসজিদের দুই তলায় গণনার কাজ শুরু হলে সেখানে নামে-বেনামে অসংখ্য চিঠি ও চিরকুট বেরিয়ে আসে।
এর মধ্যে একটি চিরকুটে লেখা রয়েছে—‘হাদি হত্যার বিচার চাই’। অপর একটি চিঠিতে এক ফুটবলপ্রেমী লিখেছেন, ‘হে আল্লাহ, আপনি সর্বশক্তিমান... আমি চাই ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে আমার প্রিয় বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করুক। লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বকাপের মঞ্চে উড়ুক এবং কোটি বাংলাদেশির স্বপ্ন পূরণ হোক।’
দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত গণনা করে ১০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে এবং বিরতির পর পুনরায় গণনার কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিবারের মতোই পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া এসব মানবিক ও আবেগপূর্ণ আবেদনগুলো স্থানীয় ও দর্শনার্থীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন