ফেনীর ফুলগাজীতে টিনের চাল কেটে ঘরে ঢুকে এক কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (২৭ জুন) সকালে উপজেলার দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামের ইসমাইল মাস্টারের বাড়ি থেকে কাজল আক্তার (৩০) নামের ওই গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত কাজল আক্তার ওই গ্রামের কুয়েত প্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী এবং তিন সন্তানের জননী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ঘরের টিনের চাল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর কাজলের হাত-পা বেঁধে মুখে টেপ পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধ বা আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সময় ঘরে তার তিন বছর বয়সী সন্তান উপস্থিত থাকলেও অপর দুই সন্তান মাদরাসায় ছিল।
ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান জানান, সকালে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ওসি বলেন, ‘প্রাথমিক আলামত দেখে একে চুরি বা ডাকাতির ঘটনা বলে মনে হচ্ছে না। হত্যার নেপথ্যের কারণ উদঘাটনে আমরা কাজ করছি।’
নিহতের স্বজনরা এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে তারা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
ফেনীর ফুলগাজীতে টিনের চাল কেটে ঘরে ঢুকে এক কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (২৭ জুন) সকালে উপজেলার দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামের ইসমাইল মাস্টারের বাড়ি থেকে কাজল আক্তার (৩০) নামের ওই গৃহবধূর হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত কাজল আক্তার ওই গ্রামের কুয়েত প্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী এবং তিন সন্তানের জননী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা ঘরের টিনের চাল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর কাজলের হাত-পা বেঁধে মুখে টেপ পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধ বা আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার সময় ঘরে তার তিন বছর বয়সী সন্তান উপস্থিত থাকলেও অপর দুই সন্তান মাদরাসায় ছিল।
ফুলগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মিজানুর রহমান জানান, সকালে স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ওসি বলেন, ‘প্রাথমিক আলামত দেখে একে চুরি বা ডাকাতির ঘটনা বলে মনে হচ্ছে না। হত্যার নেপথ্যের কারণ উদঘাটনে আমরা কাজ করছি।’
নিহতের স্বজনরা এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে তারা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন