নজর বিডি
আপডেট : রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

ব্রিজ ভেঙে বিচ্ছিন্ন ৫ গ্রাম: চরম দুর্ভোগে ৩০ হাজার মানুষ

ব্রিজ ভেঙে বিচ্ছিন্ন ৫ গ্রাম: চরম দুর্ভোগে ৩০ হাজার মানুষ

ভোলার লালমোহন উপজেলায় বালুভর্তি ট্রাক নিয়ে একটি আয়রন ব্রিজ ভেঙে খালে পড়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অন্তত পাঁচটি গ্রাম। এতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। 

গত ২৩ জুন দুপুরে রমাগঞ্জ ইউনিয়নের বেতুয়া খালের ওপর নির্মিত ৪৫ মিটার দীর্ঘ এই ব্রিজটি ভেঙে পড়ার ঘটনায় ট্রাকচালক নিহত এবং হেলপার গুরুতর আহত হন।

ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় উপজেলা শহরের সঙ্গে ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চরমোল্লাজি, চতলা, পাটোয়ারী বাজার ও কাজীরবাজারসহ আশপাশের গ্রামের মানুষের সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ডিঙি নৌকায় পারাপার হতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পারাপারে চরম ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কৃষিপণ্য ও ব্যবসার মালামাল পরিবহনে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় হচ্ছে।

আগে এক কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া গেলেও এখন পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত পাঁচ বছর ধরেই ব্রিজটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। কিন্তু উপজেলা এলজিইডি কর্তৃপক্ষ কোনো সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড না লাগানোয় এবং ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা না দেওয়ায় এই বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানজিলুর রহমান ব্রিজটি ভারী যানবাহন চলাচলের উপযোগী ছিল না বলে স্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, ব্রিজ সংস্কারের জন্য ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত এটি নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে। সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড লাগানোর বিষয়টি কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও স্থানীয়রা তা অস্বীকার করেছেন।

উল্লেখ্য, লালমোহন উপজেলায় আরও ১১টি ঝুঁকিপূর্ণ আয়রন ব্রিজ রয়েছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত এই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলো অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ ভোলা, লালমোহন, ব্রিজ ধস, এলজিইডি, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, জনদুর্ভোগ, Bhola, Lalmohan, Bridge Collapse, LGED, Road Connectivity, Public Suffering, Bangladesh News

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ব্রিজ ভেঙে বিচ্ছিন্ন ৫ গ্রাম: চরম দুর্ভোগে ৩০ হাজার মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image

ভোলার লালমোহন উপজেলায় বালুভর্তি ট্রাক নিয়ে একটি আয়রন ব্রিজ ভেঙে খালে পড়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অন্তত পাঁচটি গ্রাম। এতে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। 

গত ২৩ জুন দুপুরে রমাগঞ্জ ইউনিয়নের বেতুয়া খালের ওপর নির্মিত ৪৫ মিটার দীর্ঘ এই ব্রিজটি ভেঙে পড়ার ঘটনায় ট্রাকচালক নিহত এবং হেলপার গুরুতর আহত হন।

ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় উপজেলা শহরের সঙ্গে ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চরমোল্লাজি, চতলা, পাটোয়ারী বাজার ও কাজীরবাজারসহ আশপাশের গ্রামের মানুষের সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ডিঙি নৌকায় পারাপার হতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পারাপারে চরম ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কৃষিপণ্য ও ব্যবসার মালামাল পরিবহনে অতিরিক্ত অর্থ ও সময় ব্যয় হচ্ছে।

আগে এক কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া গেলেও এখন পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত পাঁচ বছর ধরেই ব্রিজটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। কিন্তু উপজেলা এলজিইডি কর্তৃপক্ষ কোনো সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড না লাগানোয় এবং ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা না দেওয়ায় এই বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তানজিলুর রহমান ব্রিজটি ভারী যানবাহন চলাচলের উপযোগী ছিল না বলে স্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, ব্রিজ সংস্কারের জন্য ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত এটি নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে। সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড লাগানোর বিষয়টি কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও স্থানীয়রা তা অস্বীকার করেছেন।

উল্লেখ্য, লালমোহন উপজেলায় আরও ১১টি ঝুঁকিপূর্ণ আয়রন ব্রিজ রয়েছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত এই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলো অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত