নজর বিডি
প্রকাশ : সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

বাড়ছে তিস্তার পানি, প্লাবিত লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চল

বাড়ছে তিস্তার পানি, প্লাবিত লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চল

বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। ফলে জেলার ৫টি উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে এবং পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১০টার দিকে তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে। এর আগে সকাল ৯টার দিকে পানি বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও দ্রুত গতিতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তা বিপৎসীমা ছাড়িয়ে যায়। স্থানীয়দের তথ্যমতে, গত ২৮ জুন সন্ধ্যা থেকে পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করায় এরই মধ্যে চরাঞ্চলের রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি তলিয়ে গেছে।

নদীপাড়ের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন ধরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধগুলো সংস্কার না করায় এ বছর বড় বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গোবর্দ্ধন গ্রামের আজিজার রহমান ও গরিবুল্লাহরটারীর নাজিমুদ্দিন জানান, চরাঞ্চলের শত শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় গৃহপালিত পশু ও পরিবার নিয়ে শিশু-বৃদ্ধরা চরম নিরাপত্তাহীনতা ও সাপ-পোকার ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুষ্ক মৌসুমে পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধ সংস্কারে অবহেলা করে, অথচ বর্ষা এলেই জরুরি মেরামতের নামে সরকারি অর্থের অপচয় করা হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, উজানের ঢলে রোববার দুপুর থেকেই পানিপ্রবাহ বাড়তে থাকে। তিনি বলেন, "বর্তমানে পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা নিম্নাঞ্চলে বন্যার সৃষ্টি করেছে। 

আমরা সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছি।" উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিষয় : নজরবিডি সংবাদ লালমনিরহাট, তিস্তা নদী, বন্যা পরিস্থিতি, তিস্তা ব্যারাজ, পানিবন্দি, পাহাড়ি ঢল, ডালিয়া পয়েন্ট।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বাড়ছে তিস্তার পানি, প্লাবিত লালমনিরহাটের নিম্নাঞ্চল

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image

বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। ফলে জেলার ৫টি উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে এবং পানিবন্দি মানুষের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১০টার দিকে তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে। এর আগে সকাল ৯টার দিকে পানি বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও দ্রুত গতিতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তা বিপৎসীমা ছাড়িয়ে যায়। স্থানীয়দের তথ্যমতে, গত ২৮ জুন সন্ধ্যা থেকে পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করায় এরই মধ্যে চরাঞ্চলের রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি তলিয়ে গেছে।

নদীপাড়ের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, দীর্ঘ দিন ধরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধগুলো সংস্কার না করায় এ বছর বড় বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গোবর্দ্ধন গ্রামের আজিজার রহমান ও গরিবুল্লাহরটারীর নাজিমুদ্দিন জানান, চরাঞ্চলের শত শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় গৃহপালিত পশু ও পরিবার নিয়ে শিশু-বৃদ্ধরা চরম নিরাপত্তাহীনতা ও সাপ-পোকার ভয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুষ্ক মৌসুমে পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধ সংস্কারে অবহেলা করে, অথচ বর্ষা এলেই জরুরি মেরামতের নামে সরকারি অর্থের অপচয় করা হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, উজানের ঢলে রোববার দুপুর থেকেই পানিপ্রবাহ বাড়তে থাকে। তিনি বলেন, "বর্তমানে পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা নিম্নাঞ্চলে বন্যার সৃষ্টি করেছে। 

আমরা সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং নদী তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছি।" উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত