পঞ্চগড়-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান মুক্তার স্ত্রী ও যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর কাজী মৌসুমীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিনকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন, ২০২৬) দুপুরে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং ভারপ্রাপ্ত জেলা জজ মাহাবুব আলী মুয়াদ এই আদেশ দেন। আদেশ প্রদানের সময় দুই আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের কাজীপাড়ায় নিজ বাসভবনে কেক কাটার আয়োজন করেন কাজী মৌসুমী। এই ঘটনায় দলটির কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে গত ২১ জুলাই পঞ্চগড় সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মানিক মিয়া বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ৪৭ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর কাজী মৌসুমী উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষে সোমবার তিনি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল। আসামিপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এ. হাসান প্রধানসহ একাধিক আইনজীবী।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মির্জা সারওয়ার হোসেন বলেন, “উচ্চ আদালতের শর্ত অনুযায়ী কাজী মৌসুমী তদন্ত কর্মকর্তার ডাকে উপস্থিত হয়েছেন। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে জামিনের আবেদন করা হলেও আদালত তা মঞ্জুর করেননি।”
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল বলেন, “আসামিদের বিরুদ্ধে গোপনে দলীয় কার্যক্রম উৎসাহিত করা, স্লোগান দেওয়া এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনা করে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেছেন।” তিনি আরও জানান, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত শেষে দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
পঞ্চগড়-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান মুক্তার স্ত্রী ও যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য, সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর কাজী মৌসুমীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিনকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন, ২০২৬) দুপুরে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং ভারপ্রাপ্ত জেলা জজ মাহাবুব আলী মুয়াদ এই আদেশ দেন। আদেশ প্রদানের সময় দুই আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের কাজীপাড়ায় নিজ বাসভবনে কেক কাটার আয়োজন করেন কাজী মৌসুমী। এই ঘটনায় দলটির কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে গত ২১ জুলাই পঞ্চগড় সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মানিক মিয়া বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ৪৭ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর কাজী মৌসুমী উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষে সোমবার তিনি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল। আসামিপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এ. হাসান প্রধানসহ একাধিক আইনজীবী।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মির্জা সারওয়ার হোসেন বলেন, “উচ্চ আদালতের শর্ত অনুযায়ী কাজী মৌসুমী তদন্ত কর্মকর্তার ডাকে উপস্থিত হয়েছেন। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে জামিনের আবেদন করা হলেও আদালত তা মঞ্জুর করেননি।”
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল বলেন, “আসামিদের বিরুদ্ধে গোপনে দলীয় কার্যক্রম উৎসাহিত করা, স্লোগান দেওয়া এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনা করে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেছেন।” তিনি আরও জানান, মামলার সুষ্ঠু তদন্ত শেষে দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিল করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন